ওয়াশিংটন: আমেরিকার এক ব্যক্তি অত্যন্ত উদ্বেগজনক অবস্থার সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করে চলেছেন। ৬২ বছরের নিক কারসন এমন এক রোগে ভুগছেন, যাতে তিনি অ্যালকোহল না খেয়েও রীতিমতো মাতাল হয়ে পড়ছেন। নিক যে রোগে ভুগছে তার নাম অটো ব্রোয়ারি সিন্ড্রোম। এতে যখনই কোনও ব্যক্তি কেক বা কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ কোনও কিছু খান, তখন দেখে মনে হয় সেই ব্যক্তি প্রচুর অ্যাকোহল পান করেছেন।

এই রোগে নিকের শরীর শর্করাকে অ্যালকোহলে রূপান্তরিত করে, যার জেরে কোনও পানীয় ছাড়াই নেশা হয়ে যায়। এটিকে অনেক ব্যক্তি দারুণ সুবিধাজনক মনে করলেও আসলে ব্যাপারটা কিন্তু মোটেই সুবিধার না। কারণ, এই রোগের জেরে নিক কারসন যাই খাচ্ছেন না কেন, বিশেষ করে কেক বা অন্য কার্বোহাইডেট্র যুক্ত খাবার খেলেই মারাত্মক ভাবে বেসামাল হয়ে পড়ছেন।

আরও পড়ুন – ৭ মাস পর দেশে ফিরছেন চিনা বন্দরে আটকে পড়া এমভি জগ আনন্দের ২৩ নাবিক

জানা গিয়েছে, ২০ বছর আগে, নিক একধরনের রাসায়নিকের সংস্পর্শে এসেছিল। যার জেরে তখন থেকেই ধীরে ধীরে এমন অবস্থা হয়ে গিয়েছে নিকের। পরিস্থিতি এমন যে, নিককে এখন সবসময়ই ব্রেথ অ্যানালাইজার নিয়ে চলাফেরা করতে হয়। কারোন তিনি যে কোন সময় মাতাল হয়ে পড়বেন, তা তিনি নিজেও জানেন না।

শুধু কেক খাওয়া না, নিক যদি সামান্য পরিমাণেও চিনি বা শর্করা জাতীয় খাবার খেয়ে ফেলেন তবেও তিনি নেশায় বেসামাল হয়ে পড়েন। এই কারণে নিক খুব বুঝে ডায়েট করেন। এই ডায়েটে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ খুব কম থাকে এবং প্রোটিন এবং ফ্যাটগুলির পরিমাণ থাকে খুব বেশি।

আরও পড়ুন – এবার ধাক্কা স্ন্যাপচ্যাটে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট পাকাপাকি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল সংস্থা

নিক বলেন, “অন্য লোকেরা আমার এই রোগ নিয়ে যথেষ্ট মজা করে। কিন্তু আমি শুধু খাবার খেয়েই যে মাতাল হয়ে যাই, এটা আমার পক্ষে মোটেও ভালো না। কারণ, এর জন্য আমি আমার অনেক প্রিয় খাবার খেতে পারি না। “তবে নিক জানিয়েছেন, তিনি ধীরে ধীরে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।