ফাইল ছবি৷

নাগপুর: বড়া সম্বর খেতে ঢুকেছিলেন জনপ্রিয় একটি খাবারের দোকানে৷ টেবিলের সামনে খাবার পেয়ে খেতেও শুরু করেন৷ কিন্তু সম্বর খেতে গিয়ে গা গিনগিন করে ওঠে৷ সম্বরের ঝোলে ভাসছে মরা টিকটিকি৷ খাবারের পাতে মরা টিকটিকি দেখে অন্নপ্রাশনের ভাত উঠে আসার জোগাড় তখন৷

রাস্তার কোনও ফুটের দোকানের খাবারে টিকটিকি মিললেও সান্ত্বনা পাওয়া যেত৷ কিন্তু এতো হলদিরাম৷ জনপ্রিয় স্ন্যাক্স ও মিষ্টির দোকান হিসাবে যার এত সুনাম৷ সেই হলদিরামের খাবারে কিনা মরা টিকটিকি৷ এমনই অভিযোগ নাগপুরের এক ব্যক্তির৷ অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে হলদিরামের দোকানে হানা দেয় এফডিএ(ফুড এন্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) ৷ ঝাঁপ ফেলে দেয় এফডিএ’র আধিকারিকরা৷

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার৷ ওই ব্যক্তি এক মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে নাগপুরের অজানি স্কোয়ারের হলদিরামের আউটলেটে যান বড়া সম্বার খেতে৷ সেই খাবারে মরা টিকটিকি দেখতে পেয়ে তিনি হলদিরামের কর্মচারীদের জানান৷ ওই কর্মচারী খাবারটি ফেলে দেন৷ কিন্তু ওই খাবার খেয়ে দু’জনেই অসুস্থ বোধ করেন৷ পরে হাসপাতলেও ভরতি হন৷ বুধবার সকালে ছাড়া পেয়ে যান৷

এরপরই এফডিএ’কে বিষয়টি জানানো হয়৷ ওই দিন বিকালে এফডিএ’র কর্তারা হলদিরামের আউটলেটে যান৷ সেখানে গিয়ে পরিদর্শন করেন৷ এক এফডিএ কর্তা জানান, রান্নাঘরে অনেক ক্রুটি ধরা পড়ে৷ স্বাস্থ্যবিধির দিকে আরও নজর দেওয়া উচিত ছিল৷ এরপরই ফুড সেফটি ও স্ট্যান্ডার্ড রেগুলেশনস ২০১১ অনুযায়ী হলদিরামের আউটলেটের ঝাঁপ ফেলে দেন আধিকারিকরা৷ হলদিরাম কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যবিধির উপর নজর দিতে বলা হয়৷ ফের আরও একবার সেখানে পর্যবেক্ষণে যাবে আধিকারিকরা৷ যদি সব কিছু সন্তোষজনক হয় তাহলে আবার আউটলেট খোলার অনুমতি দেওয়া হবে৷