ওয়াশিংটন: একদিকে যেখানে আমাদের পরিবেশ দূষিত, আমরাও নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছি নানা সময়ে সেখানে দাঁড়িয়ে এই মানুষটি ৬৮ বছর বেঁচে থাকলেন নকল ফুসফুস নিয়েই। ভাবতে পারছেন না তো? আসলে বাঁচার তাগিদে তাকে এর শরণাপন্ন হতেই হয়েছে। তিনিই কিন্তু পৃথিবীর একমাত্র মানুষ যিনি ব্যবহার করেছেন লোহার ফুসফুস। ১৯৫০ সালে পুরো আমেরিকাকে গ্রাস করেছিল পোলিওমায়েলাইটিস ভাইরাস। সেইসময় প্রায় প্রতি গরমকালেই মারা যাচ্ছিলো প্রায় ১৫ হাজার শিশু। তবে ১৯৫২ সালে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছিল। প্রায় ৫৮ হাজার শিশুর পোলিও রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিলো তখন। টেক্সাসে আক্রান্ত হয়েছিল ২১ হাজার। তাই গরম পড়তেই সেখানে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয় সরকারের তরফে। পোলিও ও গরমে একেবারে নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল টেক্সাসবাসীর।

এমন সময়েই জুলাই নাগাদ বৃষ্টি নামে। আনন্দে বাবা-মারা সন্তানদের রেখে বাইরে বেরিয়ে আসেন। সেইসময়ে ডালাসের ছোট্ট পলও লুকিয়ে বেরিয়ে যায়। প্রায় এক ঘণ্টা বৃষ্টিতে ভেজার পর ফিরে আসে সে। কিন্তু তারপরেই মারাত্মক জ্বর। সঙ্গে গলা মাথা ব্যথা এবং সারা শরীর লাল হয়ে গিয়েছে।

ডাক্তারকে জানালে তিনি এগুলিকে পোলিওর উপসর্গ বলেন। কিন্তু যেহেতু সব হাসপাতাল ভর্তি, তাই পলকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটতে মানা করেন তিনি। তবে সেই রাতেই তার শারীরিক অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যায়। শেষমেশ আলেকজান্ডার দম্পতি তাদের ছেলেকে নিয়ে যান পাল্যান্ড হাসপাতালে। তবে সেখানেও সব বেড ভর্তি। অবশেষে এক চিকিৎসক পলকে নিয়ে দৌড়ান অপারেশন থিয়েটারে।

ফুসফুসে যে ফ্লুইড জমেছিলো তা বের করেন তিনি। তবে যেহেতু তার ফুসফুস বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল তাই “আয়রন লাং” নামক কৃত্রিম ফুসফুসে তাকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এতে রোগীর মাথা থাকত সিলিন্ডারের বাইরে। পলের জ্ঞান ফিরলে সে প্রথমে ব্যাপারটি বোঝেনি। পরে অবশ্য সব জানতে পারে। সে সুস্থ হলেও পক্ষাঘাতে শরীরের নীচের অংশ অসাড় হয়ে গিয়েছিলো। তাই এরপরেও তাকে সেই মেশিনের নিচে শুয়ে থাকতে হতো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।