ভোপাল: মধ্যপ্রদেশে রেল ব্যবস্থার চূড়ান্ত গাফিলতির ছবি সামনে এল। যদিও সেই গাফিলতির ফল ভুগতে হচ্ছে স্টেশন মাস্টারকে। স্টেশনের ড্রিঙ্কিং ওয়াটার লাইনের সঙ্গে জুড়ে রাখা ছিল টয়লেটের পাইপ! আর এই তথ্য প্রকাশ পেতেই সাসপেন্ড করা হয়েছে স্টেশন মাস্টারকে। মধ্যপ্রদেশের মন্দসৌর জেলার একটি রেল স্টেশনে এঘটনা ঘটেছে। রবিবার এক রেল আধিকারিক একথা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি এ ঘটনা সামনে এলেও গারোথ স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে মার্চ মাসের শুরুতে। জানা গিয়েছে, এক স্যানিটেশন কর্মী পানীয় জলের লাইনের সঙ্গে টয়লেটের পাইপলাইন যুক্ত করে দিয়েছিল।

আরও খবর পড়ুন – ২.৫ টাকায় পাওয়া যাবে স্যানিটারি ন্যাপকিন, সৌজন্যে ‘মোদী কা দুকান’

সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার অজয় কুমার পাল জানিয়েছেন, “একটি বেসরকারি সংস্থার এক একজন স্যানিটেশন কর্মী পানীয় জলের ট্যাঙ্কের লাইনের সঙ্গে টয়লেটের পাইপলাইন যোগ করে দিয়েছিলেন। ব্যাপারটা পরে জানাজানি হতেই ঠিক করা হয়েছে। এ ঘটনার পরে স্টেশন মাস্টার চৌথমাল মীনাকে সাসপেন্ড করা হয়। একই সঙ্গে ওই স্যানিটেশন কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে ওই সংস্থার তরফে।

উল্লেখ্য, এ ধরনের ঘটনা নতুন না। এর আগে এর আগে একবার মুম্বইয়ের এক স্টেশনে দেখা গিয়েছিল স্টেশনে টয়লেটের জলে ইডলির চাটনি বানাচ্ছেন এক বিক্রেতা। গোটা ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল।

আরও খবর পড়ুন – ফের প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াল চিন, কাকে ভয় পাওয়াতে চাইছে লাল দেশ

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ১.৩১ মিনিটের ভিডিও পোস্ট করা হয়৷ যেখানে দেখা যায়, রাস্তার ধারে এক ইডলি বিক্রেতা শৌচাগার থেকে জল নিচ্ছেন৷ এবং যে ব্যক্তি ক্যামেরায় তা বন্দি করছেন তিনি তাঁর উদ্দেশ্যে কিছু বলছেন, যদিও তা স্পষ্ট নয়৷

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, ওই ব্যক্তির খাবারে খারাপ কিছু পাওয়া গেলে তার লাইসেন্স কেড়ে নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, এই ধরণের জল শরীরের পক্ষে মতেই উপকারী নয়৷ এমন খাবার খেলে শরীরের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

আরও খবর পড়ুন – পৃথিবীর থেকে মাত্র তিরিশ শতাংশ বড়, নতুন গ্রহ আবিষ্কার

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।