নয়াদিল্লি: ফিল্মি কায়দায় মহিলাদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তারপর তাদেরই ব্ল্যাকমেল করতে করতে শেষমেশ পুলিশের জালে এক ব্যক্তি৷ আর তার যাবতীয় কুকীর্তির অনুপ্রেরণা হল বলিউডের সুপারহিট ছবি লেডিস ভার্সেস রিক্কি বহেল৷

আরও পড়ুন: উচ্চবিত্ত মহিলাদের নগ্ন অবস্থায় এমএসএস বানিয়ে কীভাবে ব্ল্যাকমেল চলছে দেখুন!

কি ঘটেছিল?
জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত দিল্লিতেই৷ দিল্লির বিবেক বিহারের বাসিন্দা রাজেশ গর্গ৷ ছবি দেখে সেই বুদ্ধিকেই কাজে লাগিয়ে ম্যাট্রিমনি সাইটে ভুয়ো প্রোফাইল খোলে দিল্লির এই ব্যক্তি৷ আর সেখানেই বিভিন্ন মহিলার সঙ্গে আলাপ করে, তা শেষ পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্কে নিয়ে যেত সে৷ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মহিলাদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে সেসবের ভিডিও করত রাজেশ৷ আর সেই ভিডিওকে পরে কাজে লাগিয়ে ব্ল্যাকমেল করত ওই মহিলাদের৷ আর এই ফাঁদেই পড়ে এক মহিলা৷ মহিলার সঙ্গে ম্যাট্রিমনি সাইটে কথা বলে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় রাজেশ৷ তার সঙ্গে তারই টাকাতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে তাকে মুম্বই নিয়ে যাওয়ার প্ল্যান করেছিল সে৷

জানা যায়, রাজেশ মহিলাকে তার চাকরি থেকে শুরু করে তার পরিবার সব বিষয়েই মিথ্যে কথা বলে ফাঁসিয়েছিল ওই মহিলাকে৷ মহিলাও নিজের বাড়িতে কিছু না জানিয়ে বেরিয়ে এসেছিল রাজেশের জন্য৷ এমনকি শারীরিক সম্পর্কও হয় দুজনের মধ্যে৷ মহিলার নিখোঁজের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্তে নেমে নয়াদিল্লির রেল স্টেশন থেকে রাজেশ এবং ওই মহিলাকে হেফাজতে নেয়৷

আরও পড়ুন: আপত্তিকর ছবি তুলে ব্ল্যাকমেল-ধর্ষণ, গ্রেফতার অভিনেতা

ডিসিপি নূপুর প্রসাদ জানিয়েছেন, রাজেশ ওই মহিলাকে বলে যে তার বাবা আইএএস আধিকারিক৷ এবং সে নিজেও বছরে ৫০লাখ টাকা বেতনের চাকরি করে৷ আর তার পরিবার মুম্বইতে থাকে৷ পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে এর আগে আরও ৫জন মহিলার সঙ্গে রাজেশ এই কুকর্ম করেছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.