নন্দীগ্রামঃ  নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে কার্যত মাষ্টারস্ট্রোক মমতার! নন্দীগ্রাম থেকে বিধানসভা ভোটে লড়বেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! এমনটাই জানালেন নেত্রী। আর তাঁর মন্তব্যে কার্যত দলের পক্ষ থেকে শিলমোহর দিলেন সুব্রত বক্সি। তৃণমূল নেত্রীর এহেন ঘোষণার পরেই স্লোগান উঠতে থাকে। পালটা জানান, আজ নন্দীগ্রামে আরও একবার জন্ম হল তৃণমূলে।

দীর্ঘদিন পর আজ সোমবার নন্দীগ্রামে পা রাখেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশ কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। তৃণমূল সুপ্রিমো জানান, নন্দীগ্রামের সঙ্গে তাঁর আত্মার টান। তাই নিজের উত্থানস্থল থেকেই একুশের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে চান তিনি।

মমতা বলেন, নন্দীগ্রামে তাঁর কাছে লাকি! কারণ গত বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়েই প্রথম ভোটের বাদ্যি বাজিয়ছিলেন। জিতেও ছিলেন। আর তাই এবারও নন্দীগ্রাম থেকেই ভোটের প্রার্থী ঘোষণা কথা বলতে শুরু করেন নেত্রী!

আর তা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এবারে নন্দীগ্রামে এমন কাউকে প্রার্থী করব ভাবছি, যে আপনাদের কাছে পড়ে থেকে আপনাদের কাজ করবে। ভাল কাউকেই প্রার্থী করব। ভাবছিলাম, আমি নিজেই যদি দাঁড়ায় তাহলে কেমন হয়? একটু গ্রামের জায়গা, আমার মনের জায়গা, আমি হয়তো ভোটের আগে বেশি আসতে পারব না। আমাকে ২৯৪ আসনেই লড়তে হবে। আপনারাই সব করে দেবেন। ভোটের পরে যা করার আমি করব। নন্দীগ্রামের সঙ্গে আমার আত্মার টান। নিজের বিবেক থেকেই বলছি।”

এরপরই স্পষ্ট করে মমতা জানিয়ে দেন,”আমি আমার দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে বলব নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হিসেবে যেন আমার নামটা রাখা হয়। আমি নন্দীগ্রামের মানুষের মধ্যে থেকে আপনাদের জন্য কাজ করতে চায়।”

উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্য একাত্মতার বার্তা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,”এমন দল কোথাও দেখেছেন? আমি ভালবাসার টানে আর নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারলাম না।” তবে, নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়ালেও ভবানীপুর কেন্দ্রও ছাড়ছেন না মুখ্যমনন্ত্রী।

তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ভবানীপুরের মানুষ আমাকে যেন ভুল না বোঝেন। তেখালির সভা থেকে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন,”পারলে দুটো আসনেই লড়ব। ভবানীপুর আমার বড় বোন হলে, নন্দীগ্রাম আমার মেজোবোন। আমি সুব্রত বক্সিকে অনুরোধ করব, দুটো জায়গাতেই আমার নামটা দিয়ে দিও।”

মমতার সেই প্রস্তাবে সম্মতিও দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি বক্সি।

উল্লেখ্য, গত বিধানসভা ভোটের আগে নন্দীগ্রামের এক জনসভা থেকেই শুভেন্দুকে প্রার্থী ঘোষণা করেন। শুধু তাই নয়, জিতলে মন্ত্রী করবেন বলেও সেই সময় জানান নেত্রী। কিন্তু দল ছেড়েছেন শুভেন্দু। কার্যত নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়েই সুপ্রিমো মমতাকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছেন শুভেন্দু।

বারবার মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বলছেন, নন্দীগ্রামের মানুষকে ভুলে গিয়েছেন মমতা। আর এবার তাই নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে সেই বিধানসভা আসনে নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর এহেন ঘোষণার মাধ্যমে কার্যত নিজের জেলাতেই শুভেন্দুকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করলেন তিনি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিকমহলের একাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।