নয়াদিল্লিঃ  দেশজুড়ে কৃষক ঝড়। গত কয়েকদিন ধরে দিল্লি কার্যত অবরুদ্ধ। এই পরিস্থিতিতে বিক্ষোভরত কৃষকদের সঙ্গে কথা বললেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ শুক্রবার সকালে আন্দোলনরত কৃষকদের কাছে তাঁর প্রতিনিধি পাঠান নেত্রী। যান সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন।

সেখান থেকেই দলীয় সাংসদের ফোনের মাধ্যমে আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে কথা হয় তৃণমূলনেত্রীর। একবার নয়, কৃষকদের সঙ্গে চারবার ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী।

জানা যায়, মমতা কৃষকদের জানিয়েছেন, তাঁদের দাবি ন্যায়সঙ্গত। তৃণমূলও কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে সরব। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আন্দোলনরত কৃষকরা জানিয়েছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে ঢুকতে দেবেন না।

প্রসঙ্গত,   এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দিল্লি হরিয়ানার-সিঙ্ঘু সীমানায় পৌঁছন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে ডেরেকের মাধ্যমে ফোনে সরাসরি কথাও বলেন মমতা। প্রথমদিন থেকে কেন্দ্রের আনা কৃষি আইনের বিরোধিতা করছে তৃণমূল। বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দেন, অবিলম্বে নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে দেশজুড়ে আন্দোলনে নামবেন তাঁরা।

এদিন টুইটে তিনি লিখলেন, “কৃষকদের জীবন-জীবিকা নিয়ে মারাত্মক উদ্বেগে রয়েছি। ভারত সরকারের উচিত নয়া কৃষি বিল প্রত্যাহার করে দেওয়া। এই মুহূর্তে বিল প্রত্যাহার না করা হলে আমরা রাজ্য ও দেশজুড়ে আন্দোলনে নামব। আমরা প্রথম থেকেই এই কৃষক বিরোধী বিলের বিরোধিতা করে আসছি।”

প্রসঙ্গত, ১৪ বছর আগের সিঙ্গুর আন্দোলনের অনশন কর্মসূচির বর্ষপূর্তিতে শুক্রবার টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী। টুইটে তিনি লিখেছেন, “১৪ বছর আগে ৪ ডিসেম্বর ২০০৬ আমি কলকাতায় ২৬ দিন অনশন শুরু করেছিলাম। কৃষিজমি জোর করে ছিনিয়ে না নেওয়ার দাবিতেই ছিল সেই অনশন।

কেন্দ্রের কড়া কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে বর্তমানে দেশে কৃষকরা যে আন্দোলন করছেন, তাকে আমি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি। কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা না করে এই বিল পাশ করানো হয়েছে।” এই টুইট থেকেই স্পষ্ট যে, বিধানসভা ভোটের আগে মমতা তৃণমূলকে আবার কৃষক-আন্দোলনমুখী করে তুলতে চাইছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।