স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনা দমনে সমাজের মুলস্রোতে থেকে দিন-রাত যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদেরই এখন মাথার উপর ছাদ হারানোর ভয়।দমনে সমাজের মূলস্রোতে থেকে তারাই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন দিন-রাত। করোনা সংক্রমণের ভয়ে চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মীদের ভাড়া বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাইছেন বাড়ির মালিকরা। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মীদেরই পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাঁর কড়া হুঁশিয়ারি, ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীদের হেনস্থা তিনি বরদাস্ত করবেন না। সোশ্যাল বয়কট চলবে না। করোনা মোকাবিলার জন্য ‘জনতা কার্ফু’র দিন বিকেল পাঁচটায় করতালি, কাঁসর ঘন্টা, থালা বাজিয়ে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের বাহবা দিয়েছিলেন দেশবাসী। কিন্তু, অনেকাংশেই সেই মনোভাব অতীত। দেশের বহু স্থানেই করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করে হুমকির শিকার হচ্ছেন ডাক্তারবাবু, নার্স বা স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা। মেস ও ভাড়া বাড়িগুলি থেকে রীতিমতো নোটিশ জারি করে ঘর খালি করার কথা বলা হয়েছে চিকিৎসক-সহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের। খোদ কলকাতাতেও এই ঘটনা ঘটেছে।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই রোগে আমাদের সামাজিক মেলামেশা কমাতে হবে। কিন্তু কাউকে এক ঘরে করে দেওয়া চলবে না।” এরপরই তিনি বলেন, “ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীরা অনেক সচেতন। ওঁদের কাজ করতে দিন। ওঁদের হেনস্থা করলে বরদাস্ত করব না। সোশ্যাল বয়কট চলবে না।”

বাড়ির মালিকদের ব্যবহারে ক্ষুব্ধ চিকিৎসক সংগঠন। ইতিমধ্যেই তাঁরা প্রধানমন্ত্রী-সহ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে এই সমস্যার সমাধান চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। অভিযোগ শুনে নড়চড়ে বসেছেন অমিত শাহ। কথা বলেন দিল্লি পুলিশের সঙ্গে। অবিলম্বে এইমস সংলগ্ন বাড়ির মালিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বেসরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মচারীদের খাবারের ব্যবস্থা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে করতে হবে। টাকার জন্য চিন্তা করতে হবে না। এছাড়াও জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদের ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ পরিবহনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।