স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে বিজেপির অভিযানকে তুমুল আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশ্ন, রেলের অনুমতি চেয়ে ৯ মাস যখন অপেক্ষা করতে হচ্ছিল, তখন বিজেপি কী করছিল? এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৯ মাস আগেই মাঝেরহাট ব্রিজ চালু করা যেতে পারত।

রেল অনুমতি দেয়নি, তাই ৯ মাস ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে। তাঁর মতে, ভোটের সময় বড়বড় ভাষণ দিতে চলে আসে বিজেপি নেতারা। অবিলম্বে মাঝেরহাট সেতু খোলার দাবিতে বিজেপি বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে এদিন রণক্ষেত্রের চেহারা নিল তারাতলা। বিক্ষোভের ঘটনায় এদিন আটক করা হয় কৈলাশ বিজয়বর্গীয়কে।

এদিন বিক্ষোভস্থলে বিজয়বর্গীয় এসে উপস্থিত হওয়ার আগেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ বিক্ষোভ তুলতে গেলে ধুন্ধমার বেঁধে যায়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। ব্যাপক গোলমাল বাধে।

অভিযোগ, পুলিশের উপর ইট বৃষ্টি করতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। তারপরই পুলিশ পাল্টা লাঠিচার্জ করতে শুরু করে। পুলিশের লাঠির ঘায়ে বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায় বলেও অভিযোগ।

এই প্রসঙ্গে মমতার কটাক্ষ, কৈলাশ বিজয়বর্গীয়কে পুলিশ গ্রেফতার করেনি, তাও বলছে গ্রেফতার। ভোটের সময় যারা গুন্ডামি করতে আসে, তারা বহিরাগত। বাংলায় বহিরাগতদের কোনও জায়গা নেই।

বহিরাগত তত্ত্বেও জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাইরে থেকে এসে যারা দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করে তাদের কোনওভাবে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলে এদিনও সাফ জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। কোনও কাজ না করে রাজ্যের বিরোধিতা করাই কেন্দ্রের একমাত্র কাজ বলেও তোপ দাগেন তিনি।

আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়ে বিজেপিকে ‘বস্তাপচা জঙ্গল পার্টি’ এবং ‘গারবেজ অফ লাইস’ বলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি।

অন্যদিকে, বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের জন্যই তাঁরা মাঝেরহাট সেতুর কাছে জড়ো হয়েছিলেন৷ তিনি আরও বলেন, রেল এবং রাজ্যের মধ্যে বৈঠকে কী হয়েছে, তাতে তাদের কিছু করণীয় নেই৷ মানুষের সুবিধার্থেই দ্রুত ব্রিজ খোলার দাবি জানিয়েছেন তারা৷ পুলিশের মারে বিজেপি বেশ কয়েকজন সমর্থক গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন শমীক ভট্টাচার্য৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।