কলকাতা: পুজোর আগে বড় ঘোষণা মমতার৷ সনাতন ধর্মের দরিদ্র ব্রাক্ষণদের মাসে এক হাজার টাকা সাম্মানিক দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এছাড়া ,ধাপে ধাপে বাংলা আবাস যোজনায় ঘরও করে দেওয়া হবে৷ সোমবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সনাতন ধর্মের ব্রাক্ষণদের মধ্যে অনেকেই আছেন অতি দরিদ্র৷ সাহায্যের আবেদন আসে। তাদের আবেদনের ভিত্তিতে, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রতি মাসে এক হাজার টাকা সাম্মানিক দেওয়া হবে৷ পুজোর মাস থেকেই মিলতে পারে এই সাম্মানিক৷ এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সোমবার নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী।

সেখানে তিনি বলেন, যাদের ঘর নেই, তাদের বাংলা আবাস যোজনায় ঘর করে দেওয়া হবে৷ এবং কোলাঘাটে একটি জমি দেওয়া হয়েছে৷ সেখানে সনাতনী ধর্মের একটি তীর্থস্থান গড়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷

পাশাপাশি সব ধর্মের মানুষের পাশেই সরকার রয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী৷ কেন ব্রাক্ষণদের এই ভাতা…? ব্রাক্ষণ বা পুরোহিতরা হিন্দু সম্প্রদায়ের যে কোনো ধর্মীয় উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অংশ৷ ধর্মাচারের থেকে যে কোনো পুজোয় পুরোহিতদের গুরুত্ব রয়েছে৷ পুজো-অর্চনার ভার থাকে তাঁদের উপরই৷

শুধু সর্বজনীন উৎসব নয়, গৃহস্থের বাড়িতে পুজো, শ্রাদ্ধানুষ্ঠান-সহ বিভিন্ন ধর্মীয় কাজকর্মে ডাক পড়ে পুরোহিতদের৷ অনেক ব্রাক্ষণই আছেন পরিশ্রমের তুলনায় পারিশ্রমিক কম পান৷ তাতে তাদের সংসার চালাতে কষ্ট হয়৷ তাই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

তবে বিরোধী রাজনৈতিক দলের দাবি, সামনেই বিধানসভা ভোট। তাই মমতা সরকার ব্রাক্ষণ সম্প্রদায়কে খুশি করতেই ভাতা দেওয়া কথা ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর৷

এর আগে ইমামদের ভাতা দেওয়ার পদক্ষেপের মধ্যে সংখ্যালঘু তোষণ দেখেছিল বিরোধীরা৷ তাদের বক্তব্য ছিল, ইমামদের সমর্থন ও আনুকূল্য নিশ্চিত করতেই তৃণমূল কংগ্রেস পদক্ষেপ নিয়েছে৷ বর্তমানে রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের মাধ্যমে ইমামদের মাসে আড়াই হাজার এবং মোয়াজ্জেনদের মাসে দেড় হাজার টাকা ভাতা দেয় রাজ্য সরকার।

মমতা সরকার বাংলায় ইমাম-মোয়াজ্জেমদের জন্য যখন মাসিক ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল তখন ওই ভাতা দেওয়া নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছিল৷ এমনকি মামলাও হয়েছিল ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে৷ তবে এবার ভোটের কথা মাথায় রেখে এই সমস্ত মানুষদের পাশেও দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.