কলকাতাঃ করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে ২১ দিনের লকডাউন। বন্ধ রয়েছে সরকারি-বেসরকারি সব পরিবহন মাধ্যম। বন্ধ সরকারি-বেসরকারি অফিস, কল কারখানা। লকডাউনের শুরু থেকেই অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা মসৃণ রাখতে সচেষ্ট ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে গরিব মানুষের যাতে খাদ্যদ্রব্য পেতে কোন রকম সমস্যা না হয় সে ব্যাপারে প্রশাসনকে দৃষ্টি রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

শুক্রবার কালীঘাট ও আলিপুর চত্বরে নিজেই ফুটপাতবাসী ও রিকশাওয়ালাদের চাল,ডাল বিলি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন উপস্থিত ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা, এবং স্থানীয় কাউন্সিলররা করোনার সংক্রমণ রাজ্যে ছড়িয়ে পড়তেই একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কলকাতার হাসপাতালগুলিতে কিভাবে করোনা মোকাবিলায় কাজ করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা, তা দেখতে ছুটে বেরিয়েছেন এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে। শুধু হাসপাতালই নয়, বাজারের অবস্থা এখন দেখতে বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন বাজারে ঘুরে বেরিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে একইভাবে গরিব মানুষের স্বার্থে ফের একবার পথে নামলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ট্রাকভর্তি করে চাল, ডাল পেঁয়াজ সহ অন্য শুকনো খাবার বিলি করলেন নিজে হাতে। প্রায় ৩০০ জন গরিব মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন খাবার। দাঁড়িয়ে থেকে তদারকি করলেন খাদ্যদ্রব্য বন্টন ব্যবস্থার।

শুধু রাস্তায় বেরিয়ে রিক্সাওয়ালা ও ফুটপাতবাসীদের নয়, কলকাতার একাধিক নাইট সেন্টারে গিয়েও ভবঘুরেদের খাবার বিলি করেন মুখ্যমন্ত্রী. সংকটের এই দিনে গরিব মানুষের যাতে কোনো রকম অসুবিধা না হয়, বিশেষ করে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে তাদের যাতে কোনো সমস্যায় পড়তে না হয়, সে ব্যাপারে প্রশাসনিক কর্তাদের যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়.

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।