ফাইল ছবি। ঘটনার সঙ্গে যোগাযোগ নেই

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ঘূর্ণিঝড় আমফান-এর ল্যান্ডফল শুরু হয়ে গিয়েছে।নবান্নের কন্ট্রোল রুমে বসে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্দেশ দিয়েছেন, যেখানে ঝড়ের দাপট বেশি সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার।

বিকেল পৌনে চারটে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, আমফানের চোখ ঢুকে গিয়েছে সাগরে। অর্থাৎ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার উপকূল এলাকা সাগর অঞ্চলে। তার লেজ এখনও ঢোকেনি। কিন্তু ওটাই বড় ধাক্কা দিকে দিতে পারে।

উল্লেখ্য, এদিনই, আলিপুর আবহাওয়া দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই সাইক্লোন একটা বিশাল স্ট্রাকচার। এর একটি আই তথা চোখ রয়েছে। তার বাইরে রয়েছে ওয়াল ক্লাউডের আস্তরণ। তার বাইরে একটা আউটার পেরিফেরি থাকে। প্রথমে ফরওয়ার্ড সেকশন যাবে। তার পর আই তথা চোখ যাবে। তার পর শেষ অংশটা আছড়ে পড়বে মাটিতে। তাই অন্তত চার ঘণ্টা ধরে চলবে এই ল্যান্ডফল। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার উপকূলে ও দিঘায় ঝড়ের গতি তীব্র হচ্ছে।

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঝড়ের তীব্রতা এখনও ঘন্টায় দেড়শ কিলোমিটার রয়েছে। দিঘার কন্ট্রোলরুম থেকে জানা গিয়েছে সেখানে ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটারের বেশি। সোঁ সোঁ করে হাওয়ার আওয়াজ হচ্ছে। সেই সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে দিঘা, নন্দীগ্রামে। ঝড়ের ধাক্কায় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে প্রচুর গাছ উপড়ে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে বেশ কিছুকাঁচা ঘরবাড়িও ভেঙেছে।

নামখানা, নারায়ণপুর, কাকদ্বীপে বেশ কিছু বাড়ি ভেঙে পড়েছে, উড়ে গেছে টিনের চাল। উপড়ে পড়েছে গাছ। কেউ হতাহত হয়েছে কিনা, এখনও জানা যায়নি। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, বসিরহাটে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে সুপার সাইক্লোন। ঝড়ের প্রভাবে গাছ পড়েছে কলকাতাতেও।

তবে এখুনি সেই কাজ সরাতে বারণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যবাসীকে বাড়ির বাইরে বেরোতে নিষেধ করেছেন তিনি। এই অবস্থায় এই তিন জেলার জেলাশাসককে প্রতি মুহূর্তে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা ছাড়া যেখানে ঝড়ের দাপট বেশি হচ্ছে সেখানে প্রয়োজন মতো বিদ্যুতের সংযোগ ছিন্ন করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.