স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: জাতীয়স্তরে মোদী বিরোধীয় তিনি অন্যতম উদ্যোক্তা৷ সেই জোটের শরির কংগ্রেসও৷ কিন্তু রাজ্যস্তরে বিরোধী কংগ্রেস ও সিপিএমকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না তৃণমূল নেত্রী৷ দলীয় কর্মীদের তার পরামর্শ, ‘‘সিপিএম কংগ্রেস ভাইভাই৷ ওরা কে কি করছে তা দেখার প্রয়োজন নেই৷’’ জানিয়ে দেন বিরোধীরা যতই একজোট হোক, তৃণমূলের লক্ষ্য ৪২-এ ৪২৷

হাইকম্যান্ড রয়েছেন মমতার পাশে৷ ১৯শে জানুয়ারির ব্রিগেড থেকে ধর্না৷ কখনও বিরোধী দলনেতা খারগেকে পাঠিয়ে, আবার কখনও ফোনে মমতার সঙ্গে কথা বলে সেই বার্তা জোড়াল করেছেন হাত শিবিরের প্রধান রাহুল গান্ধী৷ মমতা বিরোধী প্রদেশ কংগ্রেস শিবির অবশ্য তাতে অস্বস্তিতে৷ তাদের দাবি রাজ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান তারা৷

এদিকে, মমতাও আগেই ঘোষণা করেছেন বাংলায় বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁর দল সব আসনেই প্রার্থী দেবে৷ উলটো দিকে ভোটে লড়ার ক্ষেত্রে অনড় বাম ও প্রদেশ নেতারা৷ ফলে এদিন তাদের নিশানা করে সমালোচনায় বিদ্ধ হন তৃণমূল নেত্রী৷

আরও পড়ুন: বিজেপি’র পাতা ফাঁদে দলে ভাঙনের আশঙ্কা করছেন মমতা!

বিধানসভা ভোটে জোট বেঁধে ভোটে লড়েছিল বাম ও কংগ্রেস৷ তবে জোটে গিয়ে লাভবান হয় বিধানভবনের নেতারা৷ সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সামনের লোকসভাতেই বামেদের সঙ্গে আসন রকা চাইছেন সোমেন, অধীররা৷ সূত্রের খবর, সোমেন মিত্র ও সূর্যকান্ত মিশ্রের কতাও নাকি এগিয়েছে কিছুটা৷ কিন্তু সেই আলোচনার ভবিষ্যৎ এখনও অথৈ জলে৷

আরও পড়ুন: ইভিএম হ্যাক হচ্ছে কিনা ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে নজর: মমতা

এই পরিস্থিতিতে দেরি করতে রাজি নন মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়৷ বিরোধীদের উপর চাপ বাড়িয়ে ১৯শের ফাইনালের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী৷ এরাজ্যের বুকে বিরোধীরা মেপে এগোনোর মত জায়গায় নেই বলে মনে করেন তিনি৷ ফলে, বাম, কংগ্রেস, বিজেপিকে সোমবারও কোর কিটির বৈঠকে ‘জগাই মাধাই ও বিদাই’ বলে সোচ্চার হন তৃণমূল নেত্রী৷