স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কাশ্মীর থেকে ফিরে আসা শ্রমিকদের ৫০ হাজার করে টাকা দেবে রাজ্য সরকার৷ মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘোষণা করেছেন৷

কাশ্মীর থেকে ফিরে আসা ১৩৩ জন শ্রমিককে ‘সমর্থন’ প্রকল্পে এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি এই সমস্ত শ্রমিকদের মধ্যে যাঁদের কোনও মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই তাদের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে বাসস্থান করে দেওয়া হবে। এছাড়াও যদি তাদের অন্য কোনও রকম প্রয়োজন হয় তাহলে তারা যে যে জেলার বাসিন্দা সেই সেই জেলার ডিএম বা জেলাশাসকরা তাদের বিষয়গুলি সহানুভূতির সঙ্গে দেখবে। এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর।

২৯ অক্টোবর কাশ্মীরের কুলগামে বাংলার ৫ জন শ্রমিককে খুন করে জঙ্গিরা। নিরাপত্তার কারণে এরপরই সেখানে কর্মরত রাজ্যের শ্রমিকদের ঘরে ফেরানোর উদ্যোগ নেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার বিকেলে বিশেষ ট্রেনে কাশ্মীর থেকে কলকাতায় ফিরিয়ে আনা হয় তাঁরা। আগাগোড়া এই কাজের তদারকিতে ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগামে পাঁচজন বাঙালি শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। আপেল বাগানে এরা শ্রমিকের কাজ করতেন। কুলগামের কাতরাসু গ্রামে যে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন মুর্শিদাবাদের এই শ্রমিকরা সেখানে হানা দেয় সশস্ত্র জঙ্গিরা। এরপর তাদের বাড়ি থেকে বের করে জঙ্গির দল। প্রায় ২০০ মিটার দূরে গিয়ে শ্রমিকদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় জঙ্গিরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্য হয় পাঁচ জনের।

এরপরই কেন্দ্রের উপর দোষ চাপিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘এটা পূর্ব পরিকল্পিত হামলা। ইউরোপীয় প্রতিনিধি দল যখন কাশ্মীরে গেল, তখনই এই ধরনের হামলা হয় কীভাবে?’ এছাড়াও জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, ‘কাশ্মীরের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব কেন্দ্রের।’

কাশ্মীর জঙ্গিহানায় নিহত সাগরদিঘির বাহালনগর গ্রামের পাঁচ শ্রমিকের বাড়িতে গিয়ে সমবেদনা জানান মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিহতদের পরিবারের হাতে পাঁচ লক্ষ টাকা করে সহায়তাও করা হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ