কালিয়াগঞ্জ : করোনার কোপ এবার নির্বাচনী জনসভাতেও। সোমবার কালিয়াগঞ্জ-এর নির্বাচনী জনসভা তৃণমূল সুপ্রিমো শেষ করলেন ১৫ মিনিটে। সোমবারই সকালে মুখ্যমন্ত্রী ট্যুইট করে জানান, তিনি জেলার সভা করতে গিয়ে এক ঘণ্টার পরিবর্তে ৩০ মিনিট সময় নেবেন। তবে বাস্তবে তিনি সোমবারের সভা শেষ করলেন ১৫ মিনিটে।

তবে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের জনসভা থেকে তিনি করোনা ইস্যুতে বিজেপিকে বিঁধতে ছাড়লেন না। দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য সরাসরি বিজেপিকেই সোমবারের সভা থেকেও দায়ী করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি এই অভিযোগ করলেন । পাশাপাশি তিনি বলেন, করোনার কথা ভেবে তিনি আর বড় এবং দীর্ঘ সভা করবেন না। তাই এখন তাড়াতাড়ি চলে গেলেও ভোটে জিতে আবার তিনি কালিয়াগঞ্জে আসবেন। পুরো সভার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন সময় নেন মাতৃ ১৫ মিনিট।

সম্প্রতি রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি খারাপের দিকে চলে গেছে। তাই রাজ্য সরকার স্কুলের গরমের ছুটি এগিয়ে আনার কথা ঘোষণা করেছে সোমবার। মঙ্গলবার থেকেই রাজ্যের সব স্কুলে গরমের ছুটি পরে যাচ্ছে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান । তবে মিডডে মিল ও অনলাইনে ক্লাসের কথা বা কী ভাবে সেটা হবে তা এখনও রাজ্যের তরফে জানানো হয়নি। এই পরিস্থিতিতে যাতে করোনা সংক্রমণে নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়, তার জন্য কমিশনকেও ফের একবার বাকি তিন দফার ভোট কমিয়ে আনার অনুরোধ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেন, “অন্তত শেষ ২টি দফা যদি একসঙ্গে করে দেওয়া যায় তাতেও কিছুটা সংক্রমণ কমবে, মানুষ রেহাই পাবে।”

তবে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করলেও প্রধান রাজনৈতিক রাজ্যের শাসক দলের প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপিকে এই ইস্যুতে বিশেষ গুরুত্ব দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকার তথা বিজেপিকেই সোমবারের সভা থেকে সরাসরি দায়ী করেন। কালিয়াগঞ্জের সংক্ষিপ্ত সভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “গত ৬ মাসে বিজেপি ভ্যাকসিন দেয়নি। গত ৬ মাস বিজেপি ওষুধ দেয়নি। তার ফলেই করোনা দিন দিন বেড়ে চলেছে। আমি কেন্দ্রের কাছে ২৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যাকসিন চেয়ে চিঠি লিখেছিলাম। বলেছিলাম টাকা দিয়ে ভাঁসিন কিনে নেবো। কিন্তু কেন্দ্র দেয়নি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.