তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: আগামী ১২ মে বাঁকুড়ার দুই লোকসভা কেন্দ্রে ভোট। তার আগে তৃণমূল-বিজেপি সব পক্ষের প্রার্থীরা নিজেদের কেন্দ্রের সর্বত্র সর্বাধিক মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাইছেন।

শুক্রবার তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায় সকাল থেকে ইন্দপুর ব্লক এলাকার বিভিন্ন গ্রামে নিবিড় জনসংযোগের কাজ শুরু করেন। এদিন সকালে তিনি এই ব্লক এলাকার ভেদুয়াশোল গ্রাম পঞ্চায়েতের বনকাটা, মৌলাডাঙ্গা, গোবিন্দপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে হুডখোলা গাড়িতে চেপে রোড শো করেন।

শাসক দলের প্রার্থীকে ঘিরে সাধারণ মানুষের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। রোড শো-এর মাঝেই তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায় মৌলাডাঙ্গা গ্রামের আটচালায় বসে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। প্রচারের ফাঁকে তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বিজেপি দু’নম্বরে উঠে এসেছে বলে দাবি করেন৷ বলেন, সিপিএম এখন চার পাঁচ নম্বরে চলে গিয়েছে। এটাই রাজনীতি বলে তিনি মনে করেন।

এদিন খাতড়া ব্লক এলাকার সুপুর, আড়কামা, বৈদ্যনাথপুর অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রাম গুলিতে প্রচার চালালেন ওই লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাঃ সুভাষ সরকার। কখনও পায়ে হেঁটে, আবার কখনও হুডখোলা গাড়িতে চেপে জনসংযোগের কাজ সারেন তিনি।

তাদের প্রিয় ‘ডাক্তারবাবুকে’ কাছে পেয়ে উদ্বেলিত সাধারণ মানুষ। একবার তার কাছে পৌঁছানোর জন্য মানুষের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। মানুষের মধ্যে এই উন্মাদনা দেখে খুশি বিজেপি প্রার্থী নিজেও। এদিন তিনি সাধারণ মানুষের অভাব, অভিযোগ, সমস্যার কথা শোনেন। তিনি নির্বাচিত হলে সব সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হবেন বলেই তাদের জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, সোনামুখীর ধান সিমলা এলাকায় রোড শো ও নির্বাচনী প্রচার করলেন বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা। তৃণমূল প্রার্থী ওই এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই অসংখ্য সাধারণ মানুষ তাঁকে পুষ্প বৃষ্টির মাধ্যমে বরণ করে নেন।

আত্মবিশ্বাসী শ্যামল সাঁতরা বলেন, তাঁদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪২-এ ৪২ এর যে ডাক দিয়েছেন তা সত্যি হতে চলেছে। রাজ্য যেভাবে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের প্রথম সারিতে রয়েছে সে জায়গায় বিরোধীরা দাঁড়াতেই পারছেন না। ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হয় বলেই তারা ভোটে অংশগ্রহণ করেছেন বলেও এদিন তিনি বিরোধীদের কটাক্ষ করেন।