কলকাতা : বিভিন্ন বিষয় কলম ধরেছেন তিনি। এনআরসি কবিতা লিখেছেন একের পর এক। আবার ধর্মতলার মোড়ে দাঁড়িয়ে এঁকেছেন ছবি। করোনা নিয়ে নানান সরকারি কাজের মাঝেও ফের কলম ধরলেন তিনি। লিখলেন করোনা মোকাবিলা নিয়ে জিবিতা। উঠে এল পূর্ববর্তী ভয়ঙ্কর ভাইরাস, ইবোলা, সার্সের কথাও। সরকারি আমলার দায়িত্বজ্ঞানহীনতা কথাও লিখেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

আতঙ্কিত!
আতঙ্কতঙ্কে
সামাজিক জগত।
করোনা কারও নয়,
সীমান্ত প্রাচীরে।
রোগটা নাকি বড্ড ভারী!
‘আমদানি’ চলছে-
দেশে-বিদেশে।
গরীব মানুষগুলো
সমাজে খুব সচেতন।
কিন্তু যাদের সচেতনতা
এ সমাজকে আক্রান্ত করার
হাত থেকে বাঁচাতে পারতো,
তারা কি সচেতন?
না, সব জেনেও
‘যাক না জগতটা উচ্ছন্নে’-
এই ভাব কিছু দামীদের।
নিজের ভালো ছাড়া
আর কিছু বোঝে না যারা।
ইবোলা-এবেলা-মার্স-সার্স
ডেঙ্গু-সোয়াইন ফ্লু!
সব হয়ে গেছে
কমজোরি-
করোনা করেছে গাঁ-উজাড়ি
ওটা নাকি বড্ড ভারী।

প্রসঙ্গত, সরকারি আমলা ও তাঁর ছেলেকে নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি উচ্চপদস্থ আমলার বিলেত ফেরত ছেলের শরীরে ধরা পড়েছে করোনাভাইরাস। তাঁর বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। গৃহবন্দি না থেকে ঘুরে বেড়িয়েছেন ওই তরুণ। এমনকি গিয়েছিলেন নবান্নেও।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার তিনি বলেন, ‘উপসর্গ নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো ঘুরে বেড়ালেন। এর চেয়ে অবিবেচকের কাজ কিছু হতে পারে না।মমতার সংযোজন। ৯৫ হাজার বিদেশি কলকাতায় এসেছেন। আগামিকাল সকালেও অনেকে আসবেন। আপনাদের ওয়েলকাম করছি, অসুখটা ওয়েলকাম করছি না। দয়া করে স্বাস্থ্য দেখিয়ে নেবেন। নিজেদের আলাদা রাখবেন। হঠাৎ বেরিয়ে গেলাম, শপিং মলে ঘুরতে চলে গেলাম।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ