কলকাতা: শাসক দলের নেতারা স্বীকার করুন বা না করুন, রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে শুভেন্দুর। শুভেন্দুর এলাকা বরাবরই অধিকারী সাম্রাজ্য হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিনের জননেতা হিসেবে সুপরিচিত তিনি। তাই শুভেন্দু চলে যাওয়ার ধাক্কা সামলাতে বেগ পেতে হবে তৃণমূলকে।

শুক্রবারই রাজ্যের মন্ত্রিপদ থেকে ইস্তফা দেন শুভেন্দু। আর এর মধ্যেই তৃণমূলে শুরু হয়েছে পরিকল্পনা। যেসব জেলার দায়িত্ব শুভেন্দু সামলাতেন, সেখানে কী কর্মসূচী নেওয়া হবে, তার রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে।

দলের কর্মীদের ওই সব এলাকায় রাস্তায় নামার নির্দেশ দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচি রূপরেখা তৈরির কাজ চলছে জোরকদমে। ৭ ডিসেম্বর থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া , বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ ও মালদহে যাচ্ছেন দলনেত্রী নিজে। একসময়ে এই পাঁচ জেলায় তৃণমূলের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

একসময়ে বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদায় তৃণমূলের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কয়েক মাস আগে পর্যবেক্ষকের পদটি তুলে দেওয়া হয়। তার বদলে তৈরি করা হয় স্টিয়ারিং কমিটি ও কো-অর্ডিনেশন। তৃণমূলের অন্দরের খবর, এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি শুভেন্দু। এই নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে শুভেন্দুর মতপার্থক্যের সূত্রপাত্র। যদিও সাম্প্রতিককালে দলের ব্যানার ছাড়াই বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দিতে পাঁচ জেলাতেই গিয়েছেন তিনি।

ফাইল ছবি

শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দিতেই, প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই দলের মালদহ জেলার কোর কমিটিতে বৈঠকে ডাকলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।

আগামীকাল, শনিবার তৃণমূল ভবনে বৈঠকে হওয়ার কথা। ওই কোর কমিটিতে মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসে কোর কমিটির চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, সভাপতি মৌসম বেনজির নুর, আছেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডল, প্রাক্তন দুই মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী ও সাবিত্রী মিত্র।

এ ছাড়া তিনজন কো-অর্ডিনেটর দুলালচন্দ্র সরকার, অম্লান ভাদুড়ী ও মানব বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আট সদস্যকেই জরুরি ভিত্তিতে তলব করা হয়েছে। কিন্তু কেন এই জরুরি তলব? রাজনৈতিক মহল মনে করছে, দীর্ঘদিন মালদহে দলের তরফে পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

মালদহেও শুভেন্দুর অনেক অনুগামী রয়েছেন। মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহ একাধিক সদস্য শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। গত রবিবার সকাল থেকে মালদা শহরের পোস্ট অফিস মোড় , রবীন্দ্র এভিনিউ প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ‘আমরা দাদার অনুগামী’ বলে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেওয়া ফ্লেক্স ঝুলতে দেখা যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।