স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’-এর পর এবার তৃণমূলের স্লোগান হতে চলেছে ‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে দাও- মেশিন নয় ব্যালট দাও’ ৷ আগামী বছর পুরসভা ভোটে এটাই তৃণমূলের স্লোগান৷ মঙ্গলবার নজরুল মঞ্চে কাউন্সিলরদের বৈঠকে সেই স্লোগান বাঁধলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

গতবছর একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভা ভোটের স্লোগান দিয়েছিলেন, ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ।’কিন্তু সেই ভোটে বাইশে থামতে হয়েছে তৃণমূলকে। ঘাসফুলের বাগানে পদ্ম ফুটেছে৷ কিন্তু এই ভোটকে ‘চিটিংবাজির ভোট’ বলে তোপ দাগলেন তৃণমূলনেত্রী। সেই সঙ্গে ঠিক করে দিলেন এ বার একুশে জুলাইয়ের স্লোগানও। এদিনও লোকসভা নির্বাচনে ইভিএমে কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকের শেষে বলেন, ‘আমরা দেশ জুড়ে ব্যালটের নির্বাচনের দাবিতে লড়াইয়ে নেমেছি। চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম। এবারের পুর ভোটও আমরা ব্যালটেই করব।’ তাঁর কথায়, “এ বার একুশে জুলাইয়ের স্লোগান একটাই, গণতন্ত্র ফিরিয়ে দাও- মেশিন নয় ব্যালট দাও।”

মমতা এ দিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ব্যালটে ভোট করানোর দাবিতে জোরদার আন্দোলন শুরু করবে বাংলার শাসক দল। এবং তার শুরুটা হবে একুশে জুলাইয়ের ধর্মতলার মঞ্চ থেকেই।কাউন্সিলরদের উদ্দেশে মমতা বলেন, “আপনারা চিন্তা করবেন না। আমরাই জিতব।” ৩০০টির বেশি জায়গায় মেশিন প্রোগ্রামিং করা হয়েছে বলে মমতা এদিনও অভিযোগ করেন৷

পঞ্চায়েত নির্বাচন ব্যালটেই হয়। কিন্তু ২০১৫ সালে পুর নির্বাচন ইভিএমেই হয়েছিল। তবে এবার মমতার এই অনড় মনোভাব দেখে বোঝা যাচ্ছে তিনি ব্যালটেই ভোট করানোর একশোভাগ চেষ্টা করবেন৷কারণ তাঁর দাবি, লোকসভা নির্বাচনে যে ইভিএমে কারচুপি হয়েছে, ভবিষ্যতে তা প্রমাণিত হবে। উল্লেখ্য, আগামী বছরই কলকাতা পুরসভা-সহ রাজ্যের কমবেশি একশোটি পুরসভায় নির্বাচন রয়েছে। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে যাকে সেমি ফাইনাল বলা যেতে পারে।

ব্যালটে পুর ভোট করানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তিনি বলেন, ‘ভয়ে চুরির পথেই হাঁটছে তৃণমূল। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেটুকু ভোট হয়েছিল, ছাপ্পা আর রিগিং করে জিতেছিল, পুরভোটেও সেভাবেই জিততে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী।’ সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘২০১১ ও ২০১৪ সালে ইভিএম নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও সমস্যা হল না যখন, এখন কীসের সমস্যা?’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.