স্টাফ রিপোর্টার, কলাকাত: ২০০১ সালে তেহলকা ডট কম নামে একটি ওয়েবসাইট স্টিং অপারেশেনর ভিডিও প্রকাশ করেছিল। যাতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিপুল আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ তোলা হয়েছিল তৎকালীন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজ, বিজেপি সভাপতি বঙ্গারু লক্ষ্মণ, সমতা পার্টির সভানেত্রী জয়া জেটলির বিরুদ্ধে৷

আরও পড়ুন: প্রয়াত প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজ

তাদের বিরুদ্ধে বিপুল ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল ওই ভিডিওতে। তারপরে উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশ। তখন এনডিএ শরিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জর্জের ইস্তফা চেয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন৷

ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে শাসক এনডিএ জোটের বৈঠক ডাকেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। কিন্তু রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বৈঠক বয়কট করেন। ফলে দেশজুড়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল হয় তো জর্জ ফার্নান্ডেজকে পদত্যাগ না করালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভা ছেড়ে দেবেন এবং বাজপেয়ী সরকারের থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করবে তাঁর তৃণমূল।

আরও পড়ুন: সিরিজ জয়ের জন্য ভারতের দরকার ১৬২

এনডিএ-র ওই বৈঠকের পর জর্জ ফার্নান্ডেজ পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি সমতা পার্টির সভানেত্রী পদ থেকে জয়া জেটলিও সরে দাঁড়ান। তাঁর দাবি মেনে জর্জের অপসারণ সত্ত্বেও বাজপেয়ীর সরকারে থাকেননি মমতা৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মন্ত্রিসভা তথা এনডিএ- ছেড়ে বেড়িয়ে আসেন। তখন মনে করা হয়েছিল যেহেতু দুর্নীতির দাগ লেগেছে ওই সরকারের গায়ে, তাই আর কিছুতেই নিজের নামকে জড়াতে চাইছিলেন না মমতা কারণ তার কিছুদিন পরেই ছিল রাজ্যে বিধানসভা ভোট।

মঙ্গলবার প্রাক্তণ মন্ত্রীর প্রয়াণে অবশ্য গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেত্রীর তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ট্যুইটারে প্রয়াত জর্জকে বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বলে উল্লেথ করেন তিনি৷ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কয়েক দশকের আলাপ বলেও জানান মমতা৷ সমবেদনা গভীর শোক প্রকাশ করে সমবেদনা জানান প্রয়াত নেতার পরিবারকে৷