হাওড়া: লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকেই জনসংযোগে বিশেষ জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেতা-মন্ত্রীদের সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছেন আগেই। ফোনে সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার জন্য চালু করেছেন ‘দিদিকে বলো।’ এবার নিজেই ময়দানে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোজা চলে গেলেন বস্তিতে।

সোমবার হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকে যাচ্ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর যাওয়ার পথেই হাওড়ার রাউন্ড ট্যাংক লেনের বস্তিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানকার মানুষের ঘরে ঢুকে খোঁজখবর নেন দলনেত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর এই আচমকা আগমেন স্বভাবতই খুশি বস্তিবাসী।

 

এদিন ফেসবুকেও সেই বস্তি পরিদর্শনের ছবি পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়েছেন, হাওড়ার ওই অঞ্চলের হিন্দি-ভাষী লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। শৌচালয়, পানীয় জল, রেশ কার্ড, নিকাশি ব্যবস্থা সহ একাধিক ইস্যুতে কথা বলেছেন তিনি।

বিভিন্ন সমস্যা মেটানোর জন্য ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। মন্ত্রী, বিধায়কদের নিয়ে একটি টাস্ক ফোর্সের কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন।

রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, পলিটিক্যাল স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোরের বুদ্ধিতেই নাকি জনসংযোগের ব্যাপক কর্মসূচী নিয়েছেন মমতা। ২০২১-কে যখন বিজেপি টার্গেট করেছে, তখন মমতাও কোনও অংশে পিছিয়ে থাকতে চান না। আগেই দিদিকে বলো কর্মসূচীতে ফোন নম্বর চালু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাড়াও পেয়েছেন তাতে।

 

যদিও বিজেপি বলছে, বিজেপি’র সাংগঠনিক কাজকর্মকে নকল করে প্রশান্ত কিশোর তৃণমূল কংগ্রেসকে রাজ্যে বাঁচিয়ে তুলতে চাইছে। চুরি বিদ্যায় তৃনমূল জাগবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।