স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কাশ্মীর থেকে ফেরানো হচ্ছে সমস্ত বাঙালি শ্রমিকদের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তাঁদের ফেরানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার ১৩১ জন শ্রমিকে উপত্যকার বিভিন্ন অংশ থেকে জম্মুতে নিয়ে আসা হয়েছে। সেখান থেকে বিশেষ বিমানে তাদের কলকাতায় নিয়ে আসা হবে। জানা গিয়েছে, ১৩১ জন শ্রমিকের মধ্যে অধিকাংশই মুর্শিদাবাদ, মালদহ এবং দিনাজপুরের বাসিন্দা৷।

দেশবাসী সুরক্ষিত না থাকলে ৫৬ ইঞ্চি ছাতি রেখে কী লাভ: ফিরহাদ

মুখ্যমন্ত্রী নিজেই পুরো বিষয়টির উপর নজর রাখছেন। বৃহস্পতিবার রাত থেকে সবার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তিনি। শুক্রবার সকালেই কাশ্মীর উড়ে গিয়েছেন রাজ্য পুলিশের দুই আধিকারিক। এঁরা হলেন এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সঞ্জয় সিং ও সিআইডি এসএসবি অনুপ জশপাল। সেখানে গিয়ে পুরো প্রক্রিয়া দেখভাল করছেন তাঁরা।

কালীঘাটে ভাইফোঁটার তিনদিনের মধ্যেই শোভনের নিরাপত্তা ফেরাল নবান্ন

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগামে পাঁচজন বাঙালি শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। পাঁচজনই মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির বাহালনগর গ্রামের বাসিন্দা। নিহত পাঁচ শ্রমিকের নাম কামারুদ্দিন শেখ, মুর্সালিম শেখ, মহম্মদ রফিক, নিজামুদ্দিন শেখ, মহম্মদ রফিকুল শেখ।

হোয়াটাসঅ্যাপে কাদের উপর আড়ি পাতা হয়েছিল, প্রকাশিত হল সম্ভাব্য তালিকা

এরপরই এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটারে তিনি লেখেন,’ মঙ্গলবার সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় কাশ্মীরে পাঁচ নিরীহ শ্রমিককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এটা পূর্ব পরিকল্পিত ছিল। আমরা সম্পূর্ণ হতবাক। বর্তমানে কাশ্মীরে কোনও রাজনৈতিক কার্যকলাপ হচ্ছে না। গোটা আইনশৃঙ্খলাই কেন্দ্রীয় সরকার দেখছে। যাতে প্রকৃত সত্য সামনে আসে, তাই এই ঘটনার কড়া তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। তাঁদের থেকে সবিস্তার তথ্য সংগ্রহের জন্য আমরা এডিজি দক্ষিণবঙ্গ শ্রী সঞ্জয় সিং-কে নিয়োগ করছি।’

বন্ধ হচ্ছে না, গুজব উড়িয়ে জানাল ভোডাফোন

এদিন নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে,  বেশ কিছু জুনিয়র পুলিশ অফিসারকে জম্মু-কাশ্মীর পাঠানো হবে। বাংলার আরও কোনও শ্রমিক রাজ্যে ফিরে আসতে চাইলে তাঁদের সব ব্যবস্থা করবে সরকার।