কলকাতা: দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বুধবার বড়সড় পুলিশি রদবদল করলেন। নির্বাচন চলাকালীন একাধিক পুলিশ আধিকারিককে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বদলি হওয়া ২৯ জন শীর্ষ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা বদলি করা হয়েছে। গত সন্ধ্যায় জারি করা এক আদেশে বলা হয়েছে, নির্দেশিকা অনুযায়ী, জাভেদ শামিমকে DG দমকল পদ থেকে সরিয়ে ADG আইনশৃঙ্খলা পদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার অ্যাডভাইসার (সিকিউরিটি এবং ভিজিলেন্স) পদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ডিরেক্টর জেনারেল বীরেন্দ্রকে। তাঁকেও ফিরিয়ে আনা হল পুরনো পদে।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে, কোচবিহার জেলার এসপি দেবাশিস ধরকেও (Debasish Dhar) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। দেবাশিস ধরে জায়গায় এসেছেন কে কান্নান। নির্বাচনের আগে তিনি কোচবিহারের পুলিশ সুপার ছিলেন। দিনহাটায় বিজেপি নেতার মৃত্যুর পর তাকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। সেই জায়গায় আবার কে কান্নানকে আনা হল। নির্বাচনের সময় মুখ্যমন্ত্রী বারবার দেবাশিস ধরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন।

প্রসঙ্গত, কোচবিহার জেলার শীতলকুচিতে গত ১০ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোটের দিন বুথের মধ্যে গুলি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাতে ৪জন ভোটার মারা যান। সেই ঘটনায় কোচবিহার জেলার পুলিশ সুপারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ব্যক্ত করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গুলিচালনার ঘটনায় কমিশনকে পাঠানো এসপির রিপোর্ট নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছিল।

এসপি তাঁর রিপোর্টে বলেছিলেন, ‘যে বুথে গুলি চালনার ঘটনা ঘটেছে সেখানে ঘটনার আগে এক যুবক অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তাঁর চিকিৎসা করছিল স্থানীয় কয়েকজন যুবক। সেই সময় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছিল বাহিনীর কয়েক জন জওয়ান। ঠিক তখনই গুজব ছড়ায়, সিআইএসএফের মারে ওই যুবক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার পরই প্রায় তিনশো-সাড়ে তিনশো গ্রামবাসী, যাঁদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা, জওয়ানদের ঘিরে ধরে।তার জেরেই ওই বুথে উত্তেজনা ছড়ায়। গ্রামবাসীরা অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের কাছ থেকে। এমনকী, ব্যালট ছিনতাইয়ের অবস্থাও তৈরি হয়। তখন নিয়ম মেনেই গুলি চালায় বাহিনী। ১৫ রাউন্ড গুলি চলে। তাতেই ৪ জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় কয়েকজন সিআইএসএফ জওয়ানও জখম হয়েছেন। জখম হয়েছেন হোমগার্ডও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.