স্টাফ রিপোর্টার,কলকাতা: রথযাত্রা নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি দ্বৈরথ অনেকদিন ধরেই চলছে৷ গত ৭ই ডিসেম্বর কোচবিহার থেকে বিজেপির রাজনৈতিক রথযাত্রা(যার পোশাকি নাম গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা) হওয়ার কথা ছিল৷ মমতা সরকারের বিরোধিতায় যা আপাতত বন্ধ৷ কিন্তু বাংলায় না হলেও, গুজরাট, রাজস্থান, কেরলে বেরিয়েছে বিজেপির রথ৷

২০১৮ , ৪আগস্ট থেকে ১০ আগস্ট রাজস্থান বেরিয়েছিল বিজেপির রাজনৈতিক রথযাত্রা যার পোশাকি নাম ছিল ‘গৌরব যাত্রা’৷ উদয়পুরের প্রায় ২৩টা বিধানসভায় ঘুরেছিল এই রথ৷ ৬দিনের এই রথযাত্রার জন্য রাজস্থানে তখন ক্ষমতায় থাকা বিজেপির খরচ হয়েছিল ১ কোটি টাকা৷ যদিও এত করেও রাজস্থানের সিট ধরে রাখতে পারেনি বিজেপি৷

এরআগে জুলাই মাসে গুজরাটের আমেদাবাদে রথযাত্রা বের করেছে বিজেপি৷ যদিও সেই রথ রাজনৈতিক কম ধর্মীয় বেশি ছিল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের৷ অন্যদিকে কেরলের মতো বাম-শাসিত রাজ্যেও শবরিমালা ইস্যূর প্রতিবাদে রথ বার করেছে বিজেপি৷ তবে এযাবৎ-এর সবচেয়ে বড় রথযাত্রা বাংলাতেই বের করার কথা ঘোষণা করেছিল বিজেপি৷ মমতা-সরকার বৃহস্পতিবার অবধি সেই রথে ব্রেক লাগাতে পেরেছেন৷

৭ই ডিসেম্বর, কোচবিহারের মদনমোহন মন্দির থেকে বিজেপির রথযাত্রা শুরু হওয়ার কথা ছিল৷ এছাড়াও তারাপীঠ এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার সাগর থেকে বের হতো আরও দুটি রথ৷ এই তিনটি রথ ৪৫দিন ধরে রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের উপর দিয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল বিজেপি৷ এই রথযাত্রায় বিভিন্ন সময়ে উপস্থিত থাকার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদী সহ দলের হেভিওয়েট নেতাদের৷ কিন্তু অশান্তি ছড়াতে পারে এই অজুহাতে বিজেপির ‘গণতন্ত্র যাত্রার’ অনুমতি দেয়নি রাজ্য সরকার৷