কলকাতা: নোবেলজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অমর্ত্য সেনকে নিয়ে পরিচালক সুমন ঘোষের তৈরি তথ্যচিত্র ‘দি আর্গুমেন্টেটিভ ইন্ডিয়ান’-এর সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র না দেওয়ায় নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক প্রধান।

সুমন ঘোষ পরিচালিত তথ্যচিত্রটির বেশ কিছু জায়গায় ‘গরু’, ‘গুজরাত’, ‘হিন্দু’ এবং ‘হিন্দুত্ব’র মতো শব্দ থাকায় ছাড়পত্র দিতে নারাজ সেন্সর বোর্ড। ভারতীয় সেন্সর বোর্ডের তরফে পরিচালককে অমর্ত্য সেনের মুখে এই শব্দগুলিকে ‘মিউট’ করতে বলা হয়েছিল।

সেন্সর বোর্ডের দাবি, তথ্যচিত্রে এই ধরণের শব্দ ব্যবহারে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে বলেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন সেন্সর বোর্ডের কর্তারা। কিন্তু পরিচালক শব্দগুলি মিউট করতে রাজি না হওয়ায় ছাড়পত্র দেয়নি সেন্সর বোর্ড। আগামী শুক্রবার নন্দন সহ একাধিক প্রেক্ষাগৃহে অর্মত্য সেনকে নিয়ে তৈরি এক ঘণ্টার এই তথ্যচিত্র মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।

এই তথ্য চিত্র নিয়ে চলা বিতর্ক নিয়ে ট্যুইটারে সেন্সর বোর্ডের উপরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, “প্রতি বিরোধীদের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এবার অমর্ত্য তালিকায় সেন।” একজন নোবেলজয়ী ভারতীয় নিজে মতামত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে না পারলে দেশের আম জনতার অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.