শিলিগুড়ি: অন্তরালে থাকা বিমল গুরুঙের আবির্ভাবের কারণ জানতে চাইলেন অশোক ভট্টাচার্য্য। তার বক্তব্য, গুরুঙের এমন আবির্ভাবে অবাক হবার কিছু নেই। তাঁর ধারণা, রাজ্য এবং প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেই গুরুঙ প্রকাশ্যে এসেছেন।

আর তারই রেশ টেনে অশোক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, মমতার সঙ্গে গুরুঙের কী ‘ডিল’ হয়েছে তা জানাতে হবে। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ির অনিল বিশ্বাস ভবনে সাংবাদিক বৈঠক সময়ে গুরুঙের সঙ্গে তৃণমূলের জোটের সমালোচনা করেন তিনি।

অশোক ভট্টাচার্যের অভিযোগ, শিলিগুড়ির একটি বিলাসবহুল হোটেলে পিকের টিম এবং অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে গুরুঙের লোকজনের বৈঠক হয়েছে। যার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা পুলিশ খুনের মামলা রয়েছে অথচ পুলিশ যেভাবে দর্শকের ভূমিকা পালন করছে তা দেখে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।

ফাইল ছবি

অশোক ভট্টাচার্যের অভিযোগ, স্ট্যান্ডিং কমিটিতে যদি সিদ্ধান্ত হয়ে যেত, যদি ষষ্ট তফসিলে গোর্খা পার্বত্য পরিষদকে অন্তর্ভুক্ত করা যেত তাহলে দার্জিলিংয়ের এই অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। সেই সময় সংবিধান সংশোধনী বিলটি না মেনে পৃথক রাজ্য গোর্খাল্যান্ড চেয়ে আন্দোলন শুরু করেন বিমল গুরুং।

ওই সময় বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘ বৈঠক করেছিলেন এবং তিনিও বিমল গুরুং দের পৃথক রাজ্যের দাবিতে সমর্থন দিয়েছিলেন ছিলেন বলে অভিযোগ করেন অশোক ভট্টাচার্য। সেই সময়েও তাঁরা বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন।

সম্প্রতি বিমল গুরুং মমতা সম্পর্কে জানিয়েছেন, উনি কথা দিলে কথা রাখেন। এই কথার রেশ টেনে অশোক ভট্টাচার্য বলেছেন, প্রকাশ্যে জানাতে হবে গুরুঙের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কী ডিল হয়েছিল, তিনি কি কথা দিয়েছিলেন।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।