ইসলামপুর: লোকসভা নির্বাচন এগিয়ে আসছে আর সেই সঙ্গে মোদী-মমতা দ্বৈরথও বিভিন্ন জনসভাকে কেন্দ্র করে পরিলক্ষিত হচ্ছে৷ গত ৩ এপ্রিল মোদী উত্তরবঙ্গে সভা করেন মোদী৷ তার পাল্টা দিতে দেরি করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো৷ পরের দিন ফের ব্যক টু ব্যাক উত্তরবঙ্গেই সভা করেন তিনি৷ নাগরাকাটা এবং রাসমেলার মাঠে গেরুয়া শিবিরকে দিল্লির গদিচ্যুত করার আহ্বান জানান তিনি৷ মঙ্গলবার ফের রায়গঞ্জ, ইসলামপুর, দুটি জায়গায় প্রচার সভায় উপস্থিত হন তিনি৷

এদিন ইসলামপুরে দ্বিতীয় সভা থেকেও বাংলা তথা দেশ থেকে বিজেপিকে সরানোর ডাক দেন তিনি৷ মমতা বলেন, ‘বাংলায় গোল্লা পাবে বিজেপি, আর ৪২-এ ৪২ পাবে তৃণমূল৷’ নোটবন্দি থেকে বেকারত্ব, এনআরসি থেকে কৃষকদের আত্মহত্যা, বিভিন্ন ইস্যুকে তুলে ধরেন তিনি৷ বিজেপি ক্ষমতায় এলে জন্মভূমি-সংবিধান-ধর্মনিরপেক্ষতা সবই ধ্বংস হবে বলে দাবি তাঁর৷ তিনি বলেন, বিহারীদের গুজরাত, মহারাষ্ট্র থেকে আর বাঙালিদের অসম থেকে বের করেছে বিজেপি৷ এরা বিহারী খেদাও, বাঙালি খেদাও পার্টি৷

তিনি আরও বলেন, ‘দেশ চৌকিদার চায় না, জনগণের সরকার চায়৷ মা, মাটি মানুষের সরকার চায়৷ বিজেপিকে যখন সবাই ভয় পাচ্ছে, তখন তৃণমূল একমাত্র সরব হয়েছে৷ আমরা ভয় পাই না৷ লড়াই করে বেঁচে আছি৷ যতদিন বাঁচব, লড়াই করে বাঁচব৷ …দোশকে বিক্রি করেছে মোদী, জওয়ানকে মেরে ভোটের আগে ফের জওয়ানদের মনে করছে৷ কংগ্রেস, সিপিএম, বিজেপি তিন ভাই একসঙ্গে চলে, এরা কিছু পারে না৷ ভোটের জন্য কোকিলের মতো আসছে, সারা বছর কোথায় থাকে৷’ এভাবেই মোদীর সরকারকে ইসলামপুর থেকে ফের নিশানা করলেন মমতা৷

একনজরে উত্তরবঙ্গে ভোটগ্রহণের দিন-
আলিপুরদুয়ার- ১১ এপ্রিল, কোচবিহার- ১১ এপ্রিল, দার্জিলিং- ১৮ এপ্রিল, জলপাইগুড়ি- ১৮ এপ্রিল, মালদহ দক্ষিণ- ২৩ এপ্রিল, মালদহ উত্তর- ২৩ এপ্রিল, বালুরঘাট- ২৩ এপ্রিল