কলকাতা : আগামী ৫ মেয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই শপথগ্রহণের দিন ঠিক হতেই রাজভবনে গেলেন রাজ্যের তৃতীয়বারের জন্য জয়ী বিধানসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেত্রী ও ভাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে প্রায় সোয়া একঘণ্টা বৈঠক করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন রাজ্যপালের কাছে জমা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর পদত্যাগপত্র। যদিও নতুন সরকার দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকেই রাজ্যের দায়িত্ব সামলাতে বললেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল ট্যুইট করে জানিয়েছেন, ৫ মে সাড়ে এগারোটার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।করোনার জন্য এই অনুষ্ঠানে জনসমাগম হবে না।

এদিকে সোমবার সন্ধ থেকেই রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি প্রত্যাহার করেছে নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ সোমবার থেকেই আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব ফিরল রাজ্যের হাতে। এরই মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার খবর আসছে। সেই মুহূর্তে রাজ্যের হাতে ক্ষমতা ফেরানো বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এবার সব অশান্তির দায় বিরোধীরা রাজ্যের ওপর চাপাবে।

এদিকে রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষের পরিমাণ বেড়েই চলেছে। এরই মধ্যে রাজ্যের হাতে নির্বাচন কমিশন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার ভার ছেড়ে দায়মুক্ত হয়েছে। রাজ্য থেকে উঠে গেছে আদর্শ নির্বাচনী আচরণ বিধি। ভোটের ফল ঘোষণা হয়ে গেছে। তাই নির্বাচন কমিশনরের দায়িত্ব শেষ। তবে নির্বাচনের পর রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা স্বাভাবিক। এটা পশ্চিমবঙ্গে সব নির্বাচনেই হয়, এটা কোনও নতুন ঘটনা নয়। তবে বিজেপি-তৃণমূল রাজনৈতিক সম্পর্কের অভিঘাত যেখানে পৌঁছেছে তাতে এবার বিজেপি-র সুবিধা হবে যে কোনও বিষয়ে তৃণমূলের বিরোধিতা করতে। আর এই জায়গা থেকেই বিজেপি-র বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের কাজ শুরু হবে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফলপ্রকাশের দিন জানিয়েছিলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা করে শপথগ্রহণের দিনক্ষণ ঠিক করবেন। সোমবার তৃণমূল ভবনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচিত দলীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেছেন। তার পরই দলের তরফে জানানো হয়. ৫ তারিখ তৃতীয়বারের জন্য শপথ নেবেন তিনি। এর পরই বিধায়কদের স্বাক্ষর করা চিঠি নিয়ে রাজভবনে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রথা অনুযায়ী রাজ্যপালের কাছে সরকার গড়ারহ দাবি জানান তিনি এবং মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগও করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.