নয়াদিল্লি: মোদীকে দুর্বল করতে শুধু বিরোধীদের নিয়ে জোটই যথেষ্ঠ নয়৷ বর্তমান কেন্দ্রের শাসককে দুর্বল করতে সেই দলের থাকা বিদ্রোহীদেরও কাছে টেনে নিতে রাজি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

প্রধানমন্ত্রী হয়ে নরেন্দ্র মোদীর আচরণে হতাশ হয়েছেন তাঁরই দলে থাকা বেশ কিছু নেতা ৷ এবারের দিল্লি সফরে গিয়ে সেই সব ঘরের শত্রু বিভীষণদের সঙ্গে এক প্রস্থ আলোচনা সেরে নিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী৷

আরও পড়ুন: দুর্লভ বাঁশ ফুলকে ঘিরে উৎসবে মাতল বাঁকুড়া

বুধবার মমতা বৈঠক করলেন সেই সব মোদী বিরোধী বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যারা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর আচরণে যথেষ্যই ক্ষুব্ধ ৷ ফলে প্রায়শই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মাঝে মধ্যেই সুর চড়াতেও দেখা গিয়েছে এইসব নেতাদের ৷ এদের মধ্যে ছিলেন অরুণ শৌরি, যশবন্ত সিনহা ও শত্রুঘ্ন সিনহারা। মমতার সঙ্গে নিছক সৌজন্যমূলক বৈঠক নয় বরং এদিন মোদীর বিরুদ্ধে বিদ্রোদের ইঙ্গিতই মিলেছে এদের গলাতে৷ বৈঠক শেষে অরুণ শৌরি জানান, মোদীর মোকাবিলায় একের বিরুদ্ধে এক লড়াই করতে হবে। যা অনেকটা মমতার কথারই প্রতিধ্বনির মতোই শোনায়৷

আরও পড়ুন: রেলের নিরাপত্তায় নয়া হাতিয়ার বডি ক্যামেরা

এক সময় এই নেতারা ছিলেন বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার সদস্য ফলে মমতার সঙ্গে তাদের সখ্যতার কথা উল্লেখ করেছেন৷ সময় বদলেছে বিজেপি ক্ষমতায় থাকলেও মোদী জমানায় এই তিন নেতা এখন রীতিমতো কোণঠাসা৷ এদিন মমতার সঙ্গে দেখা করা প্রসঙ্গে যশবন্ত সিনহার বক্তব্য, মমতার সঙ্গে দেখা করছেন কারণ তাদের মনে হয়েছে, দেশকে বাঁচানো জরুরি। সেক্ষেত্রে মমতা প্রশংসনীয় ভূমিকা নিয়েছেন। অন্যদিকে বিহারী বাবু শত্রুঘ্ন সিনহা জানান, মমতা সত্যিকারের মাস লিডার এবং সকলেই তাঁর সমর্থক।

২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি তথা মোদীকে ঠেকাতে সব বিকল্পেরই খোঁজ করতেই দিল্লি গিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। ফলে, বিজেপিতে থাকা মোদী বিরোধী অংশকেও অচ্যুৎ মনে করেছেন না ‘দিদি’৷ আর সেই পথে এক পা এক পা করে এগোচ্ছেন তিনি৷

আরও পড়ুন: মে মাসেই তিন দফায় পঞ্চায়েত ভোটের সম্ভাবনা