স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: আসছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারোদৎসব। হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা তাঁর পরেই শুরু হয়ে যাবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবকে ঘিরে উন্মাদনা। আর এই আনন্দে প্রত্যেক পুজো কমিটির কাজে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেই জন্য অনেক আগেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জেলা সহ মহানগরের সব পুজো কমিটি গুলিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।

এবার সেই ঘোষণা মত সোমবার রাতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যারাকপুরের পুজো কমিটি গুলোকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে,উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ১৪৪৪ টি পুজো কমিটিকে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে ।

সূত্রের খবর, সোমবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পানিহাটি লোক সংস্কৃতি ভবনে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের মাধ্যমে এই চেক প্রদান করা হল । শুধু তাই নয়, একই সঙ্গে সোমবার রাতে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের দূর্গা পুজো উপলক্ষে পুজোর ম্যাপ উদ্বোধন করা হয় বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে ।

সূত্রের খবর, সোমবারের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দমদম কেন্দ্রের সাংসদ সৌগত রায়, রাজ্য বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক তথা পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ, ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ বার্মা সহ ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চ পর্যায়ের পুলিশ আধিকারিকরা । জানা গিয়েছে, এদিনের অনুষ্ঠানে এসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দমদম কেন্দ্রের সাংসদ সৌগত রায় জানিয়েছেন, “মুখ্যমন্ত্রী পুজো কমিটি গুলোকে যে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ এবার গ্রহন করেছেন তাতে উপকৃত হবে অসংখ্য পুজো উদ্যোক্তারা ।

তিনি আরও জানিয়েছেন, এছাড়াও মহিলা পরিচালিত পুজো কমিটি গুলোকে ৩০ হাজার টাকা করে চেক প্রদান করা হচ্ছে, যার ফলে মহিলারা আরও ভালো করে পুজো করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদী জানিয়েছেন।পানিহাটি লোক সংস্কৃতি ভবনে মোট ৫৭ টি পুজো কমিটির হাতে ২৫ হাজার টাকা করে চেক প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এছাড়াও অন্যান্য পুজো কমিটি গুলোকে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত বিভিন্ন থানা থেকে চেক প্রদান করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। । সূত্রের খবর দমদম কেন্দ্রের সাংসদ সৌগত রায় সোমবার বক্তব্য শেষে তিনি সবাইকে পুজো ভালো এবং সবার সঙ্গে আনন্দে কাটানোর কথাও জানান। যেকোনো পরিস্থিতিতে প্রশাসন সব সময় পাশে আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন ।”

এদিকে বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ বার্মা জানিয়েছেন,পুজোর সময় ট্রাফিক আইন মেনে চলা বাধ্যতামূলক । সকলকেই তিনি হেলমেট ব্যবহার করে বাইক চালানোর কথা জানিয়েছেন । তিনি আরও বলেন,বারাকপুরে প্রত্যেক বছরই দূর্গা পুজোর সময় অসংখ্য মানুষ বিভিন্ন জায়গা থেকে ঠাকুর দেখার জন্য এখানে এসে ভিড় করেন । ফলে পুজোর এই পাঁচটা দিন দূর-দুরান্ত থেকে আগত সকল দর্শনার্থীর যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তাঁর জন্য বারাকপুর শহরের জন্য একটি পুজোর ম্যাপের উদ্বোধন করা হয়েছে । যার ফলে মানুষের ঠাকুর দেখতে এবং পথ নির্দেশের ক্ষেত্রে বেশ সুবিধা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন ।

পুলিশ কমিশনার আরও জানিয়েছেন, পুজোর দিন গুলিতে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের শান্তি শৃঙ্খলা এবং সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে বারাকপুর পুলিশ প্রশাসন সদা সচেষ্ট। এই ব্যাপারে তিনি বারাকপুরের সকল পুজো কমিটি গুলিকে পুজোর দিনগুলিতে তাঁদের সঙ্গে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন। এইবছর পুজোর দিন গুলো সবার ভাল কাটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন ।

ব্যারাকপুরে প্রত্যেক বছরই দূর্গা সময় অসংখ্য মানুষ ভিড় করে । এবছর পুজোর দিন গুলো সবার ভাল কাটবে ।
“পুজোর সময় ট্রাফিক আইন মেনে চলা বাধ্যতামূলক । সকলেই হেলমেট ব্যবহার করবেন । পুজোর ম্যাপ উদ্বোধন করা হয়েছে । ফলে মানুষের ঠাকুর দেখতে সুবিধা হবে ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.