কলকাতা : বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নাম ঘোষণার পর প্রথম নন্দীগ্রাম সফরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার অর্থাৎ ৯ মার্চ বিকেল তিনটে নাগাদ নন্দীগ্রামের বটতলা এলাকায় কর্মিসভা করবেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১০ মার্চ হলদিয়ার তমলুকের এসডিও অফিসে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন তিনি।

মমতা আজ পা রাখছেন নিজের নির্বাচন ক্ষেত্র নন্দীগ্রামে । সেই মাটি ছুঁয়ে পরের দিন হলদিয়ায় মনোনয়ন। কিন্তু নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী আসার আগেই বিপত্তি। বিতর্কিত পোস্টার পড়েছে ভূমি আন্দোলনের ‘আতুঁরঘর’ নন্দীগ্রামে। লেখা হল, কোনও বহিরাগত নয়, নন্দীগ্রাম তার ভূমি পুত্রকে চায়।

এদিকে আজ নন্দীগ্রামে দলের কর্মিসভায় অংশ নিচ্ছেন তৃণমূলনেত্রী। কৃষিজমি রক্ষার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে তাঁর নাম। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর আগমন ঘিরে চূড়ান্ত উন্মাদনায় ফুটছে আন্দোলনের মাটি। দুপুরে তাঁর কপ্টার নন্দীগ্রামের বটতলা হেলিপ‍্যাড ছোঁয়ার কথা। এদিন রাত পর্যন্ত দলীয় নানা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।

হলদিয়া মহকুমাশাসকের দফতরে তাঁর মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা। নন্দীগ্রাম থেকে মমতা লড়ছেন বলে বাড়তি উচ্ছ্বাস এখানকার মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছেই। প্রচারে মমতা নেমে পড়তেই নন্দীগ্রামেও ঝড় তুলেছে তাঁর দল। নন্দীগ্রাম থেকে কলকাতায় ফিরে দলের ইস্তাহার প্রকাশের কথা তৃণমূল নেত্রীর।

এদিকে, মোদীর ব্রিগেড সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “আমি নন্দীগ্রামের ছেলে। ওখানে রাজনীতি করেছি। আমি নন্দীগ্রামের মাটি চিনি।” এর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি নন্দীগ্রামে মাননীয়াকে হারাবোই, হারাবোই, হারাবোই। আপনি রেজিগনেশন লিখে রাখুন।”

তিনি আরও বলেছিলেন ”পশ্চিমবঙ্গে আবার তৃণমূল ক্ষমতায় আসলে এবার মানুষের কিডনি বিক্রি হবে। কেননা তৃণমূল সরকার কোনও কাজ করেনি। ২ কোটি বেকারের চাকরি কোথায়? রাজ্যে শিল্প হয়নি, সমুদ্র বন্দর হয়নি। এখন তৃণমূল কোনও রাজনৈতিক দল নয়। এটা একটা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। এই কোম্পানিতে থাকতে হলে সম্মান নিয়ে থাকা যায় না। এটা আমি বলেছি। এখন দীনেশ দা বলেছেন দম বন্ধ হয়ে আসছে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.