কলকাতাঃ  আর মাত্র কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা! রাত পোহালেই ঐতিহাসিক ব্রিগেড তৃণমূলের। ইতিমধ্যে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে শহরে হাজির একাধিক বিজেপি বিরোধী মুখ। হাজির হয়েছে কুমারস্বামী, দেবগৌড়া, অখিলেশ, শত্রুঘ্ন সিনহা সহ একাধিক নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসেছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। হায়াতে গিয়ে দেবেগৌড়া সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক সেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরেই সেখান থেকে চলে যান অখিলেশ, স্ট্যালিন সহ একাধিক নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে। সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে মমতা-শরদের সঙ্গেও।

এরপরেই সেখান থেকে চলে যান ব্রিগেডের ময়দানে। সেখানে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা চলছে। সেই সমস্ত ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বলেন পুলিশের সঙ্গে। খোঁজখবর নেন নিরাপত্তা নিয়ে। দীর্ঘক্ষণ সেখানে কাটিয়ে এরপর সেখান থেকে ফিরে যান মমতা। শনিবার ব্রিগেড শুরু ১২ টা থেকে। তার আগে এভাবেই আজ শুক্রবার দিনভর চূড়ান্ত ব্যস্ত থাকলেন মমতা।

উল্লেখ্য, ১৯শের ভোটেই দেশের পরিচালনার দায়িত্বে বদলের ডাক দেন তৃণমূল সুপ্রিমো৷ প্রথমে ফেডারাল ফ্রন্ট্রের কথা বললেও পরে একের বিরুদ্ধে এর ফরমুলার তত্ত্বে র কথা বলা হয়৷ ২১শের মঞ্চ থেকে ডাক দেন ১৯শের ব্রিগেডের৷ তারপর থেকে একাধিকবার দিল্লি গিয়েছেন তিনি৷ কথা বলেছেন গেরুয়া বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে৷ অনুঘটকের কাজ করে উত্তরপ্রদেশে মায়া-অখিলেশ জোট বেঁধে ফুলপুর, গোরক্ষপুর লোকসভা উপনির্বাচন জয়৷ গো-বলয়ে বিজেপির পরাজয় বিরোধীদের কাছারাছি আসার পথকে আরও মসৃণ করে৷

এই পরিস্থিতে শনিবারের মেগা ব্রিগেড৷ ইতিমধ্যেই শুভেচ্ছা বার্তা এসে পৌঁছেচে কংগ্রেস সভাপতির৷ সব মিলিয়ে মোদী বধের রণকৌশল তৈরির প্রহর গোনা শুরু৷ পুরো বিষয়টিকে স্বাধীনতার আবেগের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে মরিয়া যুব তৃণমূল সভাপতি৷ ভারতের স্বাধীনতার পিছনে রয়েছে বাংলার গৌরব গাঁথা ইতিহাস৷ মোদী বিদায়ের পথ প্রশস্থ করতেও পথ দেখাচ্ছে বাংলা৷

তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন অভিষেক বলেন, ‘‘মোদী দেশে স্বৈরতন্ত্র চালাচ্ছেন৷ বিরোধীদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসাচ্ছেন৷ এই সরকারের পরিবর্তন চাইছেন মানুষ৷ আর মোদী সরকারের শেষের শুরু হবে বাংলার বুক থেকেই৷’’