হাওড়া : বেলুড় মঠে সৌজন্য সাক্ষাতে এসে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়৷ এদিন কাটমানি ইস্যুতে মমতাকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেন “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কাটমানির অভিযোগ রয়েছে। ২৫ শতাংশ টাকা কর্মীদের কাছে আছে আর ৭৫ ভাগ কাটমানির টাকা মমতার কাছে আছে। এই ৭৫ শতাংশ কাটমানির টাকা মমতা ব্যানার্জি নিজে নিয়েছেন। উনি আগে বলুন কিভাবে সেই টাকা ফেরত দেবেন। তাকেই জবাব দিতে হবে।”

এদিন নারদ কাণ্ড ও সারদা তদন্ত নিয়ে মুখ খোলেন এই বিজেপি নেতা৷ তিনি বলেন “আমি তো বলেছি সারদা নারদা নিয়ে যে তদন্ত হচ্ছে, এই তদন্ত সুপ্রিম কোর্টের আদেশের বলে হয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই তদন্তের জন্য যদি কাউকে ডাকাডাকি করা হয় তাহলে যেতে হবে। এতে অসুবিধের কি আছে। আমাকে তো দু’বার ডাকা হয়েছে। আমাকে যদি আরও ৫০ বার ডাকে আমি যাব।”

এরপরেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন মুকুল রায়৷ এদিন বেলুড় মঠে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন “সারদা নারদা তদন্তে সবচেয়ে বেশি বেনিফিশিয়ারি যদি কেউ থাকে তার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে কোনও তদন্তের মুখোমুখি হতে আমি রাজি। মমতা রাজি আছেন কি?” সরাসরি মুকুল এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন তৃণমূল নেত্রীর দিকে৷

এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাটমানি নিয়ে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন তিনি। তিনি বলেন ২০২১ সালেই রাজ্যে মমতার পতন হবে। বাংলার বুকে নতুন রাজ্য শুরু হবে। আমি বাংলা নামেরও বিরোধিতা করছি। মুকুল বলেন, বেলুড় মঠে এলে একটা মানসিক তৃপ্তি কাজ করে। এখানে এসে গুরুজীকে দর্শন করলাম। সেক্রেটারি মহারাজকে দর্শন করলাম।

উল্লেখ্য, শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ব্যক্তিগত সফরে সস্ত্রীক বেলুড় মঠে আসেন তিনি। প্রথমে তিনি মঠের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে দেখা করেন। পরে তার দীক্ষাগুরু বর্তমান অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাকে প্রণাম নিবেদন করেন তারপর বিভিন্ন মন্দির ঘুরে দেখেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.