নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: একদিকে সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন আর সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নির্বাচনী প্রচার৷ ‘যুদ্ধ বিনা নাহি দিব সূচাগ্র মেদিনী’, এমনই রণংদেহি মনোভাব নিয়ে সব পক্ষই একে অপরকে হুঁশিয়ারি দিচ্ছে৷

রাজ্যে ষষ্ঠ দফার নির্বাচনে বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর সহ মোট আট লোকসভা কেন্দ্রে চলবে ভোটগ্রহণ পর্ব৷ আর বাংলাকে পাখির চোখ করে বিজেপি সুপ্রিমো নরেন্দ্র মোদী বৃহস্পতিবারই একপ্রস্থ প্রচার সেরেছেন বাঁকুড়ায়, সেখান থেকে গিয়েছেন পুরুলিয়ায়৷ আর সব সভা থেকেই বাংলার শাসকদলের দুর্নীতির কথা তুলে ধরতে চেয়েছেন৷ উঠে এসেছে বিভিন্ন ইস্যু৷

এদিকে বাঁকুড়াতেই একাধিক সভা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী৷ বাঁকুড়ার তামলির বাঁধে সভা থেকে তিনি নোটবন্দি থেকে গ্যাস কেলেঙ্কারি, ধন যোজনা কেলেঙ্কারি থেকে ব্যাপম কেলেঙ্কারি, এমনই সব ইস্যু নিয়ে তোপ দাগেন মমতাও৷ তিনি সাফ জানান, তাঁর যে পেন ড্রাইভ রয়েছে তা প্রকাশ্যে তুলে ধরলে বিজেপির কুকীর্তি ফাঁস হয়ে যাবে৷ কয়লা কেলেঙ্কারি থেকে গরু-পাচার কোনও কিছুই লুকিয়ে থাকবে না৷ তিনি আরও বলেন, বিজেপির চার পাঁচজন মন্ত্রীর ফাইল তাঁর কাছে রয়েছে৷ ভদ্রতার খাতিরে তিনি সেইসব কিছু প্রকাশ করেননি৷

শুধু বিভিন্ন ইস্যুই নয়, প্রধানমন্ত্রীর চেহারা নিয়েও এদিন কটাক্ষ করেন তিনি৷ মোদীর মুখের ভাষা নিয়েও বলেন তিনি৷ নাম না মমতা স্পষ্ট বলেন, ৫৬ ইঞ্চি একেবারে রাবণের মতো চেহারা, দুর্যোধন-দুঃশাসন দুই ভাই সবাইকে শাসন করে বেড়াচ্ছে৷ একই সঙ্গে তিনি এও বলেন, বেসি দেরি নেই, আগামী ২৩ মে বিজেপির মৃত্যুঘন্টা বাজবে রাজনৈতিকভাবে৷ আগে ছিল চাওয়ালা, এখন হয়েছে চৌকিদার৷ যে চৌকিদারকে দেশের লোক চায় না৷