স্টাফ রিপোর্টার, ভুবনেশ্বর: তিনবছর আগে পুরীর মন্দিরে ঢুকতে বাধা পেয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সেই অপমান ভুলে বুধবার জগন্নাথদেবের মন্দিরে যাচ্ছেন তিনি৷ এদিন পুরীর মন্দিরে পুজো দেবেন তিনি৷

২০১৭ সালে পুরীর মন্দিরে ঢুকতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি জগন্নাথ মন্দিরে যাবেন জানতে পেরেই বিক্ষোভ দেখিয়েছিল শ্রী জগন্নাথ সেবাইত সম্মিলনী। সেবাইতদের সংগঠনটির বক্তব্য ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থান গোমাংস খাওয়ার অধিকারের পক্ষে। তাই মমতাকে পুরীর মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া চলবে না৷ এবার কোনওরকম বিশৃঙ্খলা যাতে না হয় তাই আগেভাগেই ওড়িশা পুলিশ প্রস্তুতি নিয়েছে৷

আগামী কাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে তাঁর। আগামী শুক্রবার ভুবনেশ্বরের একটি পাঁচতারা হোটেলে হতে চলেছে ইস্টার্ন রিজিওনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পৌরহিত্যে এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ৫টি রাজ্য বাংলা, বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খন্ড ও ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবরা।

ইস্টার্ন রিজিওনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে একান্তে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ওই বৈঠকে রাজ্যের পক্ষ থেকে রাজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত সমস্ত অন্তর্দেশীয় বর্ডারের পরিস্থিতি নিয়ে একটি বিশেষ রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।