ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দীর্ঘ জল্পনা শেষে চন্দ্রবাবু নায়ডুকে পাশে নিয়ে ধর্না তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ধর্না শেষ হওয়ার ঠিক পরেই মঞ্চের পেছনে চলে যান মমতা। এরপরই কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার আসেন ধর্নাস্থলে। মঞ্চের পেছনে মুখমন্ত্রীর সঙ্গে চলে বৈঠক। এরপর প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যান। তারপর বেরোন রাজীব।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি তিনি আলোচনায় বসতে রাজি এই মর্মে আজ সিবিআই কে ১টি চিঠি দিয়েছেন রাজীব কুমার। সূত্রের খবর, সেই নিয়েই মমতা-রাজীবের এই বৈঠক। তবে এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের রাজ্যপালকে দেওয়া রাজীবের বিরুদ্ধে চিঠি নিয়েও। রাজনাথ সিং রাজ্যপালকে একটি চিঠি দিয়ে জানতে চান, ১জন পুলিশ অফিসার কিভাবে ধর্নায় মমতার পাশে সামিল হলেন।

যদিও এই চিঠির উত্তর ধর্না মঞ্চ থেকেই মুখমত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন সাধারণ মানুষকে৷ মমতা এদিন জানান, ‘১টা চিঠি এসেছে। তার উত্তর দিয়ে দেব। কিস্যু করতে পারবে না।’ পাশাপাশি তিনি পরিষ্কার করে জানিয়ে দেন, ‘রাজীব কুমার এখানে ধরনা দিতে আসেনি। আমার মঞ্চেও তাকে দেখা যায়নি। প্রথম রাতে মঞ্চ বাধা হয়নি তাই আমি রাস্তায় চাদর পেতে বসেছিলাম। আর মুখমন্ত্রীর সিকিউরিটির দায়িত্ব পুলিশের। তাই রাজীব এসেছিলেন।’

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়এর সত্যাগ্রহ মঞ্চে দীর্ঘক্ষণ বক্তব্য রাখতে দেখা গেছে আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবকে। বক্তব্য দিয়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডুও। তাদের দুজনের বক্তব্যে বাংলার দিদিকে যেমন নিঃশর্ত সমর্থন ছিল, তেমনি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ছিল একাধিক হুঁশিয়ারি।

ধর্না শেষের ঘোষণার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা এদিন জানান, এখানেই শেষ নয় এই দেশ বাঁচানোর লড়াই বাংলা থেকে শুরু হয়েচে৷ পরবর্তী কর্মসূচি হবে দিল্লিতে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে৷