মালদহ: ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গে ভোট সম্পর্ক গড়ায়নি। অগত্যা একলা চলো নীতি নিয়েই ভোট আসরে মিম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়েইসি।

জেলার চাঁচোল থানার জালালপুর স্কুল মাঠে মালতিপুর কেন্দ্রের মিম প্রার্থী মতিউর রহমানের সমর্থনে ভোট প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন ওয়েইসি। দলীয় প্রার্থীর প্রচারে হায়দরাবাদী ওয়েইসি তৃণমূলের সরকারের আমলে একাধিক বিষয়ে মুসলমান বঞ্চনার অভিযোগ করেন। এ ছাড়াও তৃণমূল এবং বিজেপি ভাই ভাই বলে কটাক্ষ করেন তিনি।

ওয়েইসি বলেন, এবারে নির্বাচনে মাত্র ৬ টি বিধানসভা কেন্দ্রে লড়াই করলেও,পরবর্তীতে লোকসভা ভোট ও ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়াই করবে মিম।

চাঁচলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মিম প্রধান বলেন মৌসুম নূরকে আপনারা ভোট দিয়েছিলেন, তাহলে বিজেপি জিতল কীভাবে। আমরা তো ছিলাম না তখন এখানে। এখন মমতা বলছে ওয়েইসি এসেছে, ওয়েইসি এসেছে। ওয়েইসি আসতেই থাকবে। মৌসম নূর হারলো কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকই বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল।

নাগরিকত্ব ইস্যু নিয়ে মিম প্রধান বলেন, সিটিজেন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল যখন এসেছিল তখন সংসদে তৃণমূলের ৮জন সাংসদ গরহাজির ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদী ভাই বোনের জুটি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই বিজেপি বাংলায় মজবুত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছে ওয়েইসি বিজেপির টাকা নিয়েছে। তোমার কাছে যদি প্রমাণ থাকে তা তুমি দেখাও যে আমি বিজেপির টাকা নিয়েছি। তাহলে ওই টাকা ৯৯শতাংশ ভাইপোকে দিয়ে দেব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে। আমরা আমাদের অধিকারের জন্য লড়ব। মমতা একজন হিন্দু ব্রাহ্মণ। আর তাদেরকে তিনি একত্রিত হতে বলছেন না। মুসলিমদেরকে একত্রিত হয়ে ভোট দিতে বলছেন। মমতা ব্যানার্জি ভারতের রানি নয় নরেন্দ্র মোদী ভারতের রাজা নয়। ওই সময় শেষ হয়ে গিয়েছে।

আগেই মিম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়েইসি ও সংযুক্ত মোর্চার আইএসএফ প্রধান আব্বাস সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিম প্রধানকে কটাক্ষ করে করে তৃতীয় দফা নির্বাচনের আগে মমতা বলেন, হায়দরাবাদ থেকে একজনকে বিজেপি নিয়ে এসেছে এখানে ভোট কাটার জন্য। বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে মিম প্রার্থীর ভোট কেটে নেওয়ায় এমন কয়েকটি আসনে বিজেপি জয়ী হয়, যেখানে তারা জয়ের আশা করেইনি। বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, এই সব সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বিধানসভায় বিজেপি ও জেডিইউ জোটের প্রধান বিরোধী মহাজোটের পাল্লা ভারি ছিল। সেখানে মিম আলাদা করে প্রার্থী দেয়। ভোট কাটাকাটির ফলে লাভবান হয় বিজেপি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।