নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: একদিকে বাংলায় তৃণমুলী সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গী।

শেষ দফা ভোটের দিন তিনি স্পষ্ট অভিযোগ করেন যে, মুখ্যমন্ত্রী নয়, গুন্ডারাই রাজ্য চালাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। বাংলার সরকার ও পুলিশ একইসঙ্গে এই রাজ্যে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে।

এদিন তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের দায়িত্ব গুণ্ডাদের হাতে তুলে দিয়েছে। রাজ্যে কোনও গণতন্ত্র নেই, শুধু গুণ্ডাগিরি চলছে।’ তাঁর দাবি, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তাঁর আরও অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বিজেপিকে ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে।

বিজয়বর্গী আরও বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি, এই রাজ্যের মানুষ বিজেপিকে ভোট দিতে চাইছে। কিন্তু রাজ্য সরকার তাতে বাধা দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীই একমাত্র রাজ্যে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে পারে। আর মোদীর হাত ধরেই এগিয়ে যাবে দেশ।’

শেষ দফায় মথুরাপুর কেন্দ্রের রায়দীঘিতে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠার পরই এই বিবৃতি দেন বিজয়বর্গী। এদিন রাজ্যের ৯ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে।

অন্যদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ বলেন, ‘রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রথম থেকেই ধমক দিয়ে আসছে। তাই আমাদের ভয় ভোট শেষ হলেই তৃণমূল হত্যালীলা শুরু হয়ে যাবে।’

এই আশঙ্কা প্রকাশ করে সীতারামণ বলেন, ‘আমরা চাই, ভোট শেষ হয়ে গেলেও পশ্চিমবঙ্গে যেন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকে।’

বাংলায় বারবার সন্ত্রাসের অভিযোগ জানিয়ে এসেছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বাংলায় এসে তৃণমূলের সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে। এমনকি মোদী ও অমিত শাহের যৌথ সাংবাদিক বৈঠকেও অমিত শাহ জানান, গত দেড় বছরে অন্তত ৮০ জন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।