ফাইল ছবি

লখনউ: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে উঠতেই জয় শ্রীরাম। ভিক্টোরিয়ার ঘটনা নিয়ে সরগরম জাতীয় রাজনীতি।

নেতাজির ১২৫ তম জন্মবার্ষিকীর সরকারি অনুষ্ঠানে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিবাদের ঘটনায় উত্তর প্রদেশের বিজেপি বিধায়কের বিতর্কিত মন্তব্য। তিনি বলেন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ‘অসুর’ সম্প্রদায় থেকে উঠে এসেছেন। এমনকি তাঁর জিনে ত্রুটি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

যোগীরাজ্যের ওই বিজেপি বিধায়কের দাবি, কলকাতায় আয়োজিত নেতাজির জন্মদিনে মমতার ভাষণ না দেওয়া অপরাধ সমান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিএনএতে ত্রুটি রয়েছে এবং তিনি রাক্ষস ও অসুর সংস্কৃতির থেকে উঠে আসা। কোনও অসুর ভগবান রামকে ভালবাসতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে দর্শকদের একটি অংশ থেকে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান শোনার পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের লনে একটি সরকারি কর্মসূচিতে ভাষণ দিতে রাজি হননি। তিনি বলেছিলেন যে এই ধরনের ‘অপমান’ গ্রহণযোগ্য নয়।

অন্যদিকে, বিজেপি দাবি করেছে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া আসলে তুষ্টির রাজনীতিতে তাঁর মানসিকতার প্রতিফলন ঘটায়। তবে রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস বলেছে অমর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিদের মর্যাদা শেখানো যেতে পারে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।