কলকাতা: রাজ্য জুড়ে চলছে ‘চোখের আলো’ কর্মসূচি৷ ৫ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত ৩ লক্ষের বেশি মানুষকে পরিষেবা দিয়েছে মমতার দুয়ারে সরকার৷
শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের তথ্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা রাজ্য জুড়ে বিনামূল্যে এই পর্যন্ত ৩ লক্ষ ২ হাজার ১৩৬ মানুষের চক্ষু পরীক্ষা করা হয়েছে৷ মোট চশমা বিতরণ করা হয়েছে ৭৩ হাজার ৫৫৭ জনকে৷ চশমার অর্ডার রয়েছে ৬৫ হাজার ৭২৫ জনের৷ এছাড়া এই পর্যন্ত ছানি অপারেশন হয়েছে ৫ হাজার ৫৩০ জনের৷ ছানি অপারেশনের জন্য উল্লিখিত রোগীদের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ১০২ জন৷
চোখের আলো প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের বড় অংশই রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকার। ৩৪১ টি ব্লক, ৬৭১টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ১০৪ টি পুর-এলাকায় তিন লক্ষের বেশি মানুষের চোখে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে এই প্রকল্প৷
উল্লেখ্য,গত ৪ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন থেকে ‘চোখের আলো’ প্রকল্প ঘোষণা করেন। উদ্দেশ্য একটাই, রাজ্যের সব নাগরিক যাতে চক্ষু চিকিৎসার সুযোগ পান। ২০২৫ সাল পর্যন্ত সরকারি উদ্যোগে চলবে ‘চোখের আলোয়’ কর্মসূচি। এই সময়ের মধ্যে সবার চোখের চোখের চিকিৎসা সম্পূর্ণ করতে চায় রাজ্য সরকার।
শুধু প্রবীণরাই নয়,সব সরকারি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদেরও চোখ পরীক্ষা করাবে মমতা সরকার। প্রয়োজনে সেখানেও চশমা দেওয়া হবে বিনামূল্যে৷ এছাড়া যে-সব শিশু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে যায়,তাদেরও চোখ পরীক্ষা করাবে সরকার।
রাজ্য সরকার আগেই ‘দুয়ারে সরকার’প্রকল্প চালু করেছে, তারপর ‘পাড়ায় পাড়ায় সমাধান’-এর মতো আরও নতুন নতুন কর্মসূচি নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশাসনের কর্তাদের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় হাজির করিয়েছেন তিনি৷ আমজনতার মন জয় করতে দলের নেতা-কর্মীদের ‘ঘরে ঘরে’ পাঠাচ্ছেন তিনি৷

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্প থেকে দারুণ সাড়া পাওয়া গিয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী টুইট করে জানিয়েছিলেন, ৩৯ দিনের মাথায় ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ছুঁয়ে ফেলল ২ কোটি।এর মধ্যে অবশ্যই সরকারি স্বাস্থ্যবিমা ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের গ্রাহকের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।