কলকাতা: অনলাইন ক্লাসের জন্য ১২ ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের ট্যাব দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ পরীক্ষার আগেই যাতে ছাত্রছাত্রীরা ট্যাব পায়,তার ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দিলেন তিন৷

বৃহস্পতিবার নবান্নে রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠকে মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি পড়ুয়াদের জন্যে বড়সড় ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, রাজ্যে ১৪ হাজার হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল এবং ৬৩৬ টা মাদ্রাসার ১২ ক্লাসের প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষ ছাত্রছাত্রীকে ট্যাব দেওয়া হবে অনলাইন ক্লাসের জন্য৷ তিনি আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে পড়াশুনা করতে হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের৷ এমন অনেক পরিবার আছে, যাদের কাছে একটা ট্যাব বা কম্পিউটার নেই৷ এমনকি একটা ফোন পর্যন্ত নেই, যে সে অনলাইন ক্লাসটা করবে৷

পাশাপাশি অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ক্ষেত্রে প্রতি স্কুলকে একটি করে কম্পিউটার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এছাড়া জানুয়ারি ২০২১ থেকে ৩ শতাংশ ডিএ দেবে রাজ্য সরকার৷ যদিও পে কমিশনের ফলে ২ হাজার কোটির বেশি খরচ হচ্ছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী৷

এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জানালেন, কোভিড-১৯ পরীক্ষার খরচ আরও কমানো হয়েছে৷ আগে বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯ পরীক্ষার খরচ ১২৫০ টাকা দিতে হত৷ এখন দিতে হবে ৯৫০ টাকা৷ অর্থাৎআরটিপিসিআর পরীক্ষা করাতে ৯৫০ টাকার বেশি বেশি নেওয়া যাবে না। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এদিন বকেয়া নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী৷ বলেন, এখনও কেন্দ্রের কাছে ৮৫ হাজার কোটির বেশি বকেয়া৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।