স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর চরম সঙ্কটে তাঁর পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কুমারস্বামীকে ফোন করে তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘আমরা আপনাদের পাশে রয়েছি। সংসদের ভেতরে ও বাইরে আপনার জন্য লড়াই করব।’

ঘোর সঙ্কটে কর্নাটকের কুমরাস্বামী সরকার৷ জোটের শরিক কংগ্রেস মন্ত্রী ও বিধায়কদের পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে৷ সমর্থন প্রত্যাহার করেছে দুই নির্দল বিধায়কও৷ এইমুহূর্তে কার্যত সংখ্যালঘু কংগ্রেস জেডিএস জোট সরকার৷ এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ছ’টায় ক্যাবিনেট বৈঠকের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী৷ মনে করা হচ্ছে সেখানেই সরকার ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব দেবেন তিনি৷

এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে কর্ণাটক ও গোয়ায় সরকার ফেলে দেওয়ার চক্রান্তের এই অভিযোগ তুলে সংসদ চত্বরে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল সাংসদরা। তৃণমূল ছাড়াও ওই বিক্ষোভ ছিলেন আজম খান সহ সমাজবাদী পার্টির একাধিক সাংসদ। এছাড়াও ছিলেন সিপিআই নেতা ডি রাজা ও আরজেডির সাংসদরা।

বুধবার দিনভর টানটান নাটক চলেছে দক্ষিণী রাজ্যে। কর্ণাটকে বিজেপি-কংগ্রেসের দড়ি টানাটানি পৌঁছে গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। শাসকজোটের বিক্ষুব্ধ বিধায়করা আর্জি করেছেন, স্পিকারকে দ্রুত ইস্তফা মঞ্জুরের নির্দেশ দিক আদালত৷

বিদ্রোহী বিধায়করা গতকাল ফের স্পিড পোস্টে স্পিকারকে ইস্তফার চিঠি পাঠান। তাঁর সঙ্গে ভিডিও কলেও কথা বলেন। এসবের মধ্যেই বিধায়কদের ইস্তফা অব্যাহত থাকায় সরকারের সঙ্কট বাড়ছে। এদিন, আরও ২ কংগ্রেস বিধায়ক ইস্তফা দেওয়ায়, শাসকজোটের পক্ষে বিধায়ক সংখ্যা নেমে এসেছে ১০২। অন্যদিকে, ১ নির্দল বিধায়ক মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিয়ে শিবির বদল করায় বিজেপির পক্ষে এখন ১০৬ জন বিধায়কের সমর্থন৷

শুক্রবার বিধানসভার অধিবেশন শুরুর পর, আস্থা ভোটের আগে চিন্তা বাড়ছে কুমারস্বামীর। মুম্বইয়ে শিবকুমারকে আটকানোর প্রতিবাদে এদিন বেঙ্গালুরুতে রাজভবন অভিযান করে কংগ্রেস-জেডিএস। সামিল হন দেবগৌড়া ও গুলাম নবি আজাদ। স্পিকার ইস্তফা ঝুলিয়ে রাখায় ও মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর পদত্যাগের দাবিতে বিধানসভায় ধর্নায় বসে বিজেপি।