স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত রাজ্য সরকারের শিবির থেকে চাকরি পেলেন ১৫৪৩ জন। কামতাপুরী লিবারেশন অর্গানাইজেশনের ৬৮০ জন প্রাক্তন সক্রিয় কর্মী ও ৫২০ জন প্রাক্তন মাওবাদী সদস্যকে চাকরি দেওয়া হল ওই শিবির থেকে। চাকরি দেওয়া হল সশস্ত্র হামলার শিকার ৩৬ জনের পরিবারের সদস্যকেও।

এদিন কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে (Netaji Indoor Stadium) ‘জাগ্রত বাংলা’ নামে নয়া প্রকল্পের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ গোটা অনুষ্ঠানটিই হল ভার্চুয়ালি। তার মধ্যে অন্যতম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন মানুষজনকে মূল স্রোতে ফেরাতে পুলিশের চাকরিতে যোগদান করানো।

উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের উদ্দেশে কিছুদিন আগেই হুমকি দিয়েছিলেন প্রাক্তন মাওবাদীরা। বলেছিলেন, চাকরি চাই। নইলে নিজেদের মতো করে বুঝে নেবেন। সেইসঙ্গে আরও বার্তা, সরকার দ্রুত চাকরির ব্যবস্থা করলে আবার আগের মতোই মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই৷ পুরুলিয়ার বরাবাজারের ঝাড়খণ্ড লাগোয়া বেড়াদায় তৃণমূলের পতাকার নিচে বৈঠক করে সেই সিদ্ধান্তের কথা জানান একসময় মাওবাদী সংগঠনে থাকা স্কোয়াড সদস্য বা লিংকম্যানরা।

আসলে জঙ্গলমহলের এই জেলায় রাজ্য সরকার ঘোষণা অনুযায়ী প্রাক্তন মাওবাদীদের চাকরি দেওয়ার কাজ করলেও এখনও বহু মাওবাদী চাকরি পাননি। তাছাড়া অভিযোগ, এই চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে নানা বেনিয়ম চলছে। আর এর ফাঁসে প্রকৃত মাওবাদীরা রাজ্য সরকারের পুনর্বাসন প্যাকেজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলেও এদিনের বৈঠক থেকে সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা ।

এদিন পুলিশদের উৎসাহ দেওযার জন্য বিমা, ছুটি-সহ বৃহস্পতিবার একগুচ্ছ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘দক্ষতার বিচারে কলকাতার পুলিশ, বাংলার পুলিশ সেরা। কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ৭৫ জন পুলিশকর্মীর ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের আর্থিক সাহায্য ও চাকরি দিয়েছে রাজ্য সরকার।’’ কোভিডের সময় রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের ভূমিকা ও রক্তদানের একাধিক অনুষ্ঠান আয়োজন নিয়েও সাধুবাদ দেন মমতা।এসবের পাশাপাশি পুলিশের মনোবল আরও চাঙা করতে কার্যত কাউন্সেলারের ভূমিকায় দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীকে। বললেন, কোনও কারণে জীবনে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে ভেঙে পড়ার কোনও কারণ নেই, জীবন বিসর্জন দেওয়ার কথাও ভাবা অনুচিত। বরং কাছের মানুষদের সঙ্গে কথা বলে, আলোচনা করে সমাধানের উপায় বের করতে হবে। পুলিশের প্রতি তাঁর বার্তা, সমন্বয় রেখে কাজ করুন, নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া আরও বাড়ান। তাহলে আরও শক্তিশালী হবে রাজ্য পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।