মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মাত্র কয়েকঘণ্টার নোটিশে আজ, শুক্রবার তৃণমূল ভবনে বৈঠক ডাকলেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়৷ দুপুর ৩টেয় এই বৈঠক ডাকা হয়েছে। দলের কয়েকজন প্রথমসারির নেতা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। আজ তৃণমূল ভবনে মুকুল রায় এবং তাঁর পুত্র শুভ্রাংশু রায় যাবেন বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে৷

বিধানসভা ভোটের পর অনেকেই  তৃণমূলে ফিরতে চেয়েছেন। সোনালি গুহ, দীপেন্দু বিশ্বাসরা ইতিমধ্যেই লিখিত ভাবে সে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায়, শুভ্রাংশু রায় তৃণমূলে ফিরতে পারেন এমন জল্পনা চলছে ৷ শোনা যাচ্ছে, আজই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে চলেছেন মুকুল রায় ও তাঁর পুত্র। তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রের তেমনই দাবি। তৃণমূল ভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিতিতে মুকুল এবং শুভ্রাংশুর রায়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা। এছাড়াও বাকিদের নেতাদের ফেরানোর ব্যাপারে এদিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে খবর৷

আরও পড়ুন: রাজনীতিতে কদর্য ভাষা, তৃণমূলমুখী নেতাদের মল-মূত্রের সঙ্গে তুলনা তথাগতর

৫ জুন তৃণমূল ভবনে ব্যপকভাবে সাংগঠনিক রদবদল হয়৷  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে শাখা সংগঠন থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মূল সংগঠনে। তাঁকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মহিলা তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি করা হয় কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। তৃণমূলে রাজ্য সম্পাদক করা হয় সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এছাড়াও, কৃষক সংগঠনের প্রধান করা হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুকে। ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়কে শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে। রাজ্যে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে আনা হয়েচে কুণাল ঘোষকে। তৃণমূলের সংস্কৃতিক সেলের প্রধান করা হয়েছে বিধায়ক তথা পরিচালক রাজ চক্রবর্তীকে।

সূত্রের খবর, ওই  বৈঠকে আট জেলায় দলীয় সভাপতি বদলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তারজন্য জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি জেলা সভাপতি বদলের সিদ্ধান্ত নেবে। এদিন দলনেত্রীর কাছে সেই কমিটি নতুন জেলা সভাপতিদের নাম প্রস্তাব করতে পারে বলে খবর৷ এছাড়া, এক ব্যক্তি এক পদ নীতি কার্যকর করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.