ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ২০২১-এ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ২১ জুলাই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের মেগা ইভেন্ট। ওইদিন লাখ লাখ লোকের জমায়েত হয় ধর্মতলায়। কিন্তু দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণের কারণ তা এবার হবে ভার্চুয়াল। এতবড় সমাবেশ কীভাবে ভার্চুয়ালি হবে তা নিয়ে আঁটোসাঁটো পরিকল্পনা করছে জোড়াফুল শিবির। আগামী ৩ জুলাই তা নিয়ে বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকও হবে ভার্চুয়ালি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। ৩১ জুলাই পর্যন্ত এ রাজ্যেও চলবে লকডাউন। কিন্তু লকডাউন উঠে গেলেও কি লাখ লাখ মানুষকে এক জায়গায় আনা অসম্ভব বলেই মনে করছেন প্রশাসনের কর্তারা। সেকারণেই বিজেপির পথে হেঁটেই একুশে ভার্চুয়াল সভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল।

যেহেতু ভার্চুয়াল সমাবেশ দলের সমর্থকদের কাছে একেবারে নতুন। তাই ৩ জুলাই এব্যাপারে দলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে খবর, ওই বৈঠকে শহিদ দিবসের ভার্চুয়াল সমাবেশ কীভাবে হবে তার দিকনির্দেশ করবেন মমতা। কীভাবে এই সমাবেশকেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের প্রচারে হাতিয়ার করবেন তৃণমূল নেতারা তার পরিকল্পনার কথা বলা হবে। সমাবেশের আগে দলের কর্মী সমর্থদের সঙ্গে এনিয়ে কথা বলবেন দলের নেতারা। ভিডিয়ো কন্ফারেন্সের মাধ্যমে প্রত্যেক নেতাই কীভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবেন। তা বাতলে দেবেন দলনেত্রী।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের জনতার উদ্দেশে দিল্লি থেকে অনলাইনে ভাষণ দিয়েছেন অমিত শাহ। ভার্চুয়াল এই সভার নাম দেওয়া হয় ‘জনসংবাদ র‌্যালি’। সফটওয়্যারের মাধ্যমে রাজ্যের দু’ হাজার নেতাকর্মীকে যুক্ত করা হয়।

সামনের বছর বাংলায় বিধানসভা ভোট রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে ভোট হলে কুড়ি সালের ২১ জুলাই-ই ভোটের আগে শেষ শহিদ দিবস। অনেকের মতে, সেদিক থেকে দেখতে গেলে এবারের সমাবেশের রাজনৈতিক তাৎপর্যও রয়েছে। যেমন উনিশের লোকসভার আগে ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মমতার স্লোগান ছিল, বাংলায় বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ। তাই এবছর ২১ জুলাই কী ধরনের কর্মসূচি তৃণমূল নেয় তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতুহল থাকছেই।

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস ‘স্যাক্রিফাইস’ করছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই একথা বলে বিরোধীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লকডাউনে রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। মমতার এই বক্তব্যে রে রে করে উঠেছে বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব। রাজ্যের বিরোধী নেতৃত্বের দাবি, ২১ জুলাই সমাবেশে লোক হবে না জেনেই এসব কথা বলছেন তিনি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ