স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: এবার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে৷রাজ্যে বেসরকারি হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে যখন একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার পথে হাঁটছেন মুখ্যমন্ত্রী ঠিক তখনই তাঁর বিরুদ্ধে গর্জে উঠল সোশ্যাল মিডিয়া৷হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুকের মাধ্যমে ইতিমধ্যে একটি বার্তা ছড়ানো হচ্ছে৷ তাতে বলা হচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাপস পালের ‘অসুস্থতা’ নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তর সঠিক তথ্য যাতে না দেয় সেকারণেই রাজ্যে অ্যাপেলোর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷সুদ্ধ বাংলায় লেখা এই বার্তাই এখন ছড়িয়ে পরছে৷

সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা ওই বার্তায় বলা হয়েছে, ‘‘ একটু ভাবো তো, সম্পূর্ণ সুস্থ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাপস পাল৷ কারাবাস থেকেই বাঁচতেই অসুস্থ সেজে ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ভুবনেশ্বরের অ্যাপোলেতে ভরতি৷সত্য গোপন রাখার জন্য বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যাপোলোকে একচেটিয়া টার্গেট শুরু করেছেন৷’’ ওই বার্তায় দুই সাংসদের হাসপাতালের খরচের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে৷‘‘প্রশ্ন তোলা হয়েছে দুই সাংসদের ঠিক কী এমন রোগ হয়েছে যা ৭৯ দিনেও সারেনি?’’ এছাড়াও , ‘‘অ্যাপোলো নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন অন্য হাসপাতালে দলের দুই সাংসদকে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে না?’’ তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই বার্তায়৷

হোয়াটসঅ্যাপে ভাইরাল হওয়া বার্তা৷ এই বার্তার সত্যতা যাচাই করেনি kolkata24x7.com

তবে মজার বিষয় হল, এই বার্তাটি কাদের তরফে পাঠানো হয়েছে তা কিন্তু পরিষ্কার করে লেখা নেই৷অ্যাপোলো কর্তৃপক্ষের দাবি, এই বিষয়ে কিছুই জানেন না তাঁরা৷বেশ কয়েকদিন আগে এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিলেন তৃণমূলেরই বিক্ষুব্ধ সাংসদ কুণাল ঘোষ৷ নিজের ফেসবুক ওয়ালে এই প্রসঙ্গে একাধিক কথা লিখেছিলেন তিনি৷তবে তাঁরও দাবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এই বার্তাটি নিয়ে তিনিও কিছুই জানেন না৷

বেশ কয়েকদিন সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন৷কোনও গ্রুপ থেকে যদি কোনও রকম গুজব ছড়ানো হয় তাহলে সেই গ্রুপের অ্যাডমিনকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি৷সম্প্রতি দেশের প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটু কথা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ছড়িয়ে গ্রেফতার হতে হয় বর্ধমানের এক যুবককে৷এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই এই ধরনের অভিযোগ৷এখন এটাই দেখার এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশ কোনও কড়া পদক্ষেপ নেয় কিনা৷