হুগলি : হুগলির সাহাগঞ্জ ডানলপে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সভায় বুধবার চাঁদের হাত বসেছিল। টলিউডের সব পরিচিত তারকারা যেমন ছিলেন তেমন ছিলেন বাংলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন ক্রিকেটের মনোজ তেওয়ারি। সবাই সভা মঞ্চ থেকে ২০২১-এর বিধানসভা নির্ব্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার জন্য এই সভায় উপস্থিত মানুষদের কাছে আবেদন জানালেন।

এদিন হুগলির সাহাগঞ্জের সভা থেকে তৃণমূলে যোগ দিলেন অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ (Sayoni Ghosh), পরিচালক রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakroborty ), ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি (Manaj Tewari )। অভিনেত্রী মানালি দে (Manali Dey ), জুন মালিয়া (Jun Malia ) ও এই সভা থেকেই এদিন তৃণমূলে যোগ দেন। যোগ দেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক, সুদেষ্ণা রায়, অনন্যা চট্টোপাধ্যায়ও।

সম্প্রতি অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়া বিজেপি-র বিরুদ্ধে কথা বলে রীতিমতো শিরোনামে চলে আসেন । গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে যেভাবে একের পর এক আক্রমণাত্মক বক্তব্য রাখছিলেন তাতে অনুমান করা হচ্ছিল তিনি তৃণমূল শিবিরে যোগ দেবরেন। সেটাই আজ সম্পন্ন হলো।

সায়নী ঘোষের মতো রাজ চক্রবর্তী এবং জুন মালিয়ার তৃণমূলে যোগ নিয়েও জল্পনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে। এই তারকারাও বুধবার তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন। কাঞ্চন মল্লিক, সুদেষ্ণা রায়, অনন্যা চট্টোপাধ্যায়ের মতো জনপ্রিয় অভিনেতাদের দলে নিয়ে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটা আলোড়ন সৃষ্টি করলেন।

ক্রিকেটের ম্যানেজ তেওয়ারি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি বিরোধী পোস্ট করছিলেন। কৃষক বিক্ষোভের মতো ইস্যুতে তিনি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করছিলেন। সেই সময় থেকেই জল্পনা শুরু হয় তিনি তৃণমূলে যোগ দেবেন। মঙ্গলবারই তাঁর যোগ দেওয়ার বিষয়টি পাকা হয়ে যায়।শেষে বুধবার তিনি তৃণমূলে যোগ দিলেন।

মনোজ তিওয়ারির পাশাপাশি এদিন প্রাক্তন ফুটবলার সৌমিক দে’ তৃণমূলে যোগ দেন। তিনিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলের পতাকা তুলে নেন। সম্ভবত সৌমিক হুগলি জেলার কোনও আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।

পরিচালক রাজ চক্রবর্তী বলেন, “আমি তৃণমূলে নাম লিখিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।” জুন মালিয়া বলেন, “খেলা হবে তো? আমি দিদির সঙ্গে আছি। বাংলার মানুষ দিদিকে চায়। খেলা হবে। দিদির হাত শক্ত করতেই হবে।” অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক বলেন, “খেলাটা হওয়া জরুরা। ঝড় উঠছে বঙ্গে, আমরা দিদির সঙ্গে।” অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ বলেন, “বাংলায় শান্তি, উন্নয়ন, মহিলাদের সম্মান বজায় রাখবো।” ম্যানেজ তেওয়ারি বলেন, “তৃণমূলের লোগোটার মানে হচ্ছে, “একই বৃন্তে দুইটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন ক্রীড়া ও সংস্কৃতি জগতের এতজনকে সঙ্গে পেয়ে তাদের অভিনন্দন জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.