স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সোমবার হুগলির পুরশুড়ায় সেকেন্দারপুরে তাঁরই একদা সৈনিক তথা নব্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পালটা জনসভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এদিন দুপুর একটা নাগাদ মঞ্চে ওঠার কথা রয়েছে তাঁর। শুভেন্দুর হুঁশিয়ারির জবাবে তিনি কী বলেন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নন্দীগ্রাম, পুরুলিয়ার পর এবার হুগলির পুরশুড়াতে শুভেন্দুর পাল্টা জনসভা করবেন মমতা। সেই সভার প্রস্তুতি নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরেই দলের অন্দরে সাজো সাজো রব। দলের জেলা নেতৃত্বের দাবি, লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে মুখ্যমন্ত্রীর এই সভায়।

দিনকয়েক আগেই চন্দননগরে রোড শো ও জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী । মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2021) ‘হুগলি জেলায় তৃণমূল শূন্য পাবে’ বলে দাবিও করেন শুভেন্দু। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে সেদিন শুভেন্দু বলেছিলেন আমি নন্দীগ্রামটা বুঝে নেব৷ আপনারা চন্দননগরটা বুঝে নিন।

লোকসভা নির্বাচনে হুগলির জেলায় পদ্ম ফুটেছিল৷ তৃণমূলের শক্ত মাটিতেই তাদের হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)। তারউপর হুগলিতে গোষ্ঠীকোন্দলে জেরবার শাসকদল৷ সম্প্রতি উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষালের গলাতেও শোনা গিয়েছে ‘বেসুরো’ সুর৷ তাই ভোটের অঙ্কে রাজ্যের এই জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের কিছুটা হলেও দুশ্চিন্তায় রয়েছে৷

দলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব বলেন,মুখ্যমন্ত্রীর সভায় যত কর্মী-সমর্থক যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাতে ২০০০ বাস লাগছে। তবে, হুগলিতে অত বাস না-থাকায় হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পূর্ব বর্ধমান থেকেও ভাড়া করতে হয়েছে।এর পরেও বহু কর্মী আলাদা ভাবে বাস, ট্রেকার বা ভ্যানে যাবেন।

২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে তৃণমূল এখন থেকেই ঘর গোছাতে নামছে। সেই লক্ষ্যেই রাজ্য থেকে ব্লক স্তর পর্যন্ত ঢেলে সাজানো হয়েছে সংগঠন। ঢেলে সাজানো হয়েছে যুব সংগঠনও। তারমধ্যেই অনেক তাবড় নেতা দল ছেড়েছে৷ পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে চাঙ্গা করতে মুখ্যমন্ত্রী হুগলিতে সভা করছেন বলেই রাজনৈতিক মহল মনে করছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।