কলকাতা: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় গোটা দেশের সঙ্গে বঙ্গেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্যে করোনার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বারবার আক্রমণ শানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার মারণ ভাইরাস করোনার রাশ টানতে কলকাতায় রাজনৈতিক মিছিল না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার রাতে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন,পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় আর কোনও প্রচার চালাবেন না।

তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন জানিয়েছেন, রাজ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সেই দিক বিচার করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় কোনো বড় রাজনৈতিক মিছিল করবেন না জানিয়েছেন। শুধুমাত্র ২৬ এপ্রিল প্রচারের শেষ দিনে প্রতিকী সভা করবেন। এবং রাজ্যের যে সমস্ত জেলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সভা অনুষ্ঠিত হবে সেগুলো ৩০ মিনিটের বেশি দীর্ঘায়িত হবে না।

এর আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী জানিয়েছিলেন যে, কোভিড -১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমে বৃদ্ধি পাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গে তাঁর সকল নির্ধারিত সমাবেশকে স্থগিত করছেন।

উত্তরোত্তর করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বামেরা অনেক আগে থেকেই ছোট সমাবেশ শুরু করেছে। সেখানে রাজ্যের শাসক দল রাজনৈতিক মিটিং মিছিল করার ব্যাপারে চুপ ছিল। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে। অপরদিকে কেন্দ্রে থাকা শাসক দল বিজেপি এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, নির্বাচন এক দফায় করা হলে, কিংবা ভার্চুয়ালি করা হয় তাহলে ভোটের স্পিরিট নষ্ট হয়ে যাবে। যেখানে দেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই লক্ষের গন্ডি ছাড়িয়েছে। সেখানে এখনও পুরোদমে চলছে বিজেপির রাজনৈতিক সমাবেশ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উঠছে নানা প্রশ্ন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার, মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার নির্বাচনের বাকি তিন দফার ভোট এক দফায় নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনকে।যদিও নির্বাচন কমিশন সায় দেয়নি এ বিষয়ে।

ভারতীয় জনতা পার্টি এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন।করোনাবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফ থেকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.