কলকাতা: নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রীর দফতরেই ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ দেওয়া হবে ছাত্রছাত্রীদের। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২০০ পড়ুয়াকে বাছাই করে নেওয়া হবে। তাঁদেরই ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ দেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে।

পড়ুয়াদের উৎসাহ দিতে ও তাঁদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগোল রাজ্য সরকার। এবার মুখ্যমন্ত্রীর দফতরেই মিলবে ইন্টার্নশিপের সুযোগ। শুক্রবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা, ‘‘প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত ২০০ জন পড়ুয়াকে বাছাই করে নেওয়া হবে। সিএমও-তে কাজ করার জন্য নেওয়া হবে। পড়ুয়াদের ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ দেওয়া হবে।’’

কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির নিরিখে অনেক রাজ্যের চেয়েই বাংলা এগিয়ে বলে এদিন আবারও সওয়াল মুখ্যমন্ত্রীর। একইসঙ্গে পড়ুয়াদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যেও রাজ্য সরকারের নতুন-নতুন পরিকল্পনা করছে বলে এদিন জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসের ভার্চুয়াল সভা এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ছাত্রছাত্রীরাই দেশের ভবিষ্যৎ। ওঁরা এগিয়ে আসুক, এটাই চাই। আমার দফতরে কাজের পর ওঁরা নিজেদের এলাকায় গিয়ে কাজ করবে। কীভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হয়, হাতেকলমে ওঁদের শেখানো হবে। ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থেই এই পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার।’’

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে দলের ছাত্র প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘‘হয় লড়বেন নয় মরবেন। করেঙ্গে ইয়ে মরেঙ্গে। গান্ধীজির বাণীকে মূলধন করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাদের।’’

কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বাংলায় একের পর এক প্রকল্প তৈরি হচ্ছে বলে দাবি তৃণমূলনেত্রীর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘দিঘায় কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন, সিলিকন ভ্যালি, দেওচা পাঁচামির মতো প্রকল্পে আগামী দিনেও লক্ষাধিক যুবক-যুবতীর চাকরি হতে চলেছে।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I